দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে নানা সময়ে আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিলেও সাধারণ মানুষের মনে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়—ব্যাংকে টাকা রাখা আসলেই কতটা নিরাপদ? এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈধ ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংকে আমানত রাখা এখনো অর্থ সংরক্ষণের অন্যতম নিরাপদ উপায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকির আওতায় পরিচালিত হয়। ফলে গ্রাহকের আমানত সুরক্ষায় বিভিন্ন নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর থাকে। বাসা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নগদ অর্থ সংরক্ষণের তুলনায় ব্যাংকে অর্থ রাখলে চুরি, ডাকাতি কিংবা অর্থ হারানোর ঝুঁকি অনেক কম থাকে।
তবে তারা সতর্ক করে বলেন, সব অর্থ একটি ব্যাংকে না রেখে প্রয়োজনে একাধিক ব্যাংকে ভাগ করে রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি যে ব্যাংকে অর্থ রাখা হচ্ছে, তার আর্থিক অবস্থা, সুনাম ও গ্রাহকসেবার মান সম্পর্কেও খোঁজ নেওয়া উচিত।
এছাড়া ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সাইবার নিরাপত্তার দিকেও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ব্যক্তিগত পিন নম্বর, ওটিপি বা পাসওয়ার্ড কাউকে না জানানো এবং সন্দেহজনক লিংক বা কল থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের ভাষ্য, বর্তমান বাস্তবতায় সঠিক ব্যাংক নির্বাচন ও সচেতনতার মাধ্যমে ব্যাংকে টাকা রাখা নিরাপদ এবং সুবিধাজনক। তাই গুজব বা আতঙ্কে আমানত তুলে নেওয়ার পরিবর্তে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে নানা সময়ে আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিলেও সাধারণ মানুষের মনে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়—ব্যাংকে টাকা রাখা আসলেই কতটা নিরাপদ? এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈধ ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংকে আমানত রাখা এখনো অর্থ সংরক্ষণের অন্যতম নিরাপদ উপায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকির আওতায় পরিচালিত হয়। ফলে গ্রাহকের আমানত সুরক্ষায় বিভিন্ন নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর থাকে। বাসা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নগদ অর্থ সংরক্ষণের তুলনায় ব্যাংকে অর্থ রাখলে চুরি, ডাকাতি কিংবা অর্থ হারানোর ঝুঁকি অনেক কম থাকে।
তবে তারা সতর্ক করে বলেন, সব অর্থ একটি ব্যাংকে না রেখে প্রয়োজনে একাধিক ব্যাংকে ভাগ করে রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি যে ব্যাংকে অর্থ রাখা হচ্ছে, তার আর্থিক অবস্থা, সুনাম ও গ্রাহকসেবার মান সম্পর্কেও খোঁজ নেওয়া উচিত।
এছাড়া ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সাইবার নিরাপত্তার দিকেও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ব্যক্তিগত পিন নম্বর, ওটিপি বা পাসওয়ার্ড কাউকে না জানানো এবং সন্দেহজনক লিংক বা কল থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের ভাষ্য, বর্তমান বাস্তবতায় সঠিক ব্যাংক নির্বাচন ও সচেতনতার মাধ্যমে ব্যাংকে টাকা রাখা নিরাপদ এবং সুবিধাজনক। তাই গুজব বা আতঙ্কে আমানত তুলে নেওয়ার পরিবর্তে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন