বিশ্বকাপ শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়। এটি আবেগ, স্বপ্ন, গৌরব আর ইতিহাস রচনার মহামঞ্চ। চার বছর পরপর ফুটবল বিশ্বকে একসূত্রে গেঁথে ফেলা এই আসর যেমন জন্ম দেয় নতুন নায়কের, তেমনি বিদায় জানায় অসংখ্য কিংবদন্তিকেও।
উত্তর আমেরিকার তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপও হতে যাচ্ছে এমনই এক সন্ধিক্ষণের গল্প। একদিকে লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, নেইমার জুনিয়র ও লুকা মদরিচদের মতো কিংবদন্তিদের শেষ বিশ্বকাপ দেখার অপেক্ষা, অন্যদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে, লামিন ইয়ামাল, জামাল মুসিয়ালা কিংবা আর্লিং হলান্ডদের বিশ্ব ফুটবলের নতুন অধিপতি হয়ে ওঠার লড়াই।
২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে ফুটবলের প্রায় সব স্বপ্ন পূরণ করেছেন লিওনেল মেসি। তবুও ২০২৬ বিশ্বকাপে তার সামনে রয়েছে আরও কিছু অনন্য অর্জনের হাতছানি।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড ইতোমধ্যেই নিজের করে নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকাতেও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে। আর যদি শেষবারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে তুলতে পারেন, তবে সেটি হবে তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সবচেয়ে রঙিন সমাপ্তিগুলোর একটি।
ব্যক্তিগত অর্জনের প্রায় সব শিখর স্পর্শ করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা এই পর্তুগিজ মহাতারকার ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য রেকর্ড ও শিরোপা।
তবে বিশ্বকাপ ট্রফি এখনো অধরা। ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে সেই অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণের শেষ সুযোগ। বয়স চল্লিশ পেরোলেও তার ফিটনেস, আত্মবিশ্বাস এবং জয়ের ক্ষুধা এখনো তরুণদের অনুপ্রেরণা।
চোটের দীর্ঘ দুর্ভোগ কাটিয়ে আবারও জাতীয় দলে ফিরেছেন নেইমার জুনিয়র। ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই তারকার কাঁধেই থাকবে সেলেসাওদের আক্রমণভাগের বড় দায়িত্ব।
বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে না পারার আক্ষেপ ঘোচানোর এটাই হতে পারে তার শেষ বড় সুযোগ। তাই ব্রাজিল সমর্থকদের আশা, শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চে জ্বলে উঠবেন নেইমার।
লুকা মদরিচের নাম উচ্চারিত হলেই মনে পড়ে ২০১৮ বিশ্বকাপের সেই অবিশ্বাস্য যাত্রার কথা। তার নেতৃত্বেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল ক্রোয়েশিয়া।
দীর্ঘ দুই দশক ধরে দেশের ফুটবলের মুখ হয়ে থাকা এই মিডফিল্ড জাদুকর বয়সের ভার সত্ত্বেও এখনো মাঠে সমান কার্যকর। ২০২৬ বিশ্বকাপই হতে পারে তার শেষ বিশ্বমঞ্চ।
মাত্র কিশোর বয়সেই ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম বড় নাম হয়ে উঠেছেন লামিন ইয়ামাল। স্পেনের ভবিষ্যৎ হিসেবে বিবেচিত এই তরুণ ইতোমধ্যেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছেন।
বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে আগামী এক দশক বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম মুখ হয়ে উঠতে পারেন তিনি।
একটি বিশ্বকাপ শিরোপা, একটি বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক এবং অসংখ্য রেকর্ড। কিলিয়ান এমবাপ্পে ইতোমধ্যেই নিজেকে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা পারফরমার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তবে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিততে পারলে তিনি পৌঁছে যাবেন ফুটবল কিংবদন্তিদের কাতারে। তাই ২০২৬ বিশ্বকাপ তার জন্য শুধু আরেকটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং নিজের অবস্থান আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার মঞ্চ।
দীর্ঘ সময় চোট আর অনিয়মিত পারফরম্যান্সের সমালোচনা পেরিয়ে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন উসমান দেম্বেলে।
ক্লাব ফুটবলে সাফল্য পেলেও বিশ্বকাপে এখনো নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে সেই অপেক্ষার অবসানের মঞ্চ।
ক্লাব ফুটবলে গোলের বন্যা বইয়ে দেওয়া আর্লিং হলান্ড এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে নামতে যাচ্ছেন।
নরওয়ের সমর্থকদের আশা, বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে ভয়ংকর এই গোলদাতা বিশ্বকাপেও একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।
জামাল মুসিয়ালার পায়ে আছে গতি, কৌশল আর সৃজনশীলতার অনন্য মিশেল। ইতোমধ্যেই তিনি জার্মানির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন।
চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার দায়িত্বের বড় অংশই এবার তার কাঁধে।
ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন বহু বছর ধরে দলের আস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
১৯৬৬ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণে এবারও ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ভরসা অধিনায়ক কেইন।
২০২২ বিশ্বকাপে মরক্কোর ঐতিহাসিক সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন আশরাফ হাকিমি।
এবারও আফ্রিকার প্রতিনিধিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় স্বপ্ন দেখছে মরক্কো। সেই স্বপ্নের কেন্দ্রেই আছেন আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা ফুল-ব্যাক।
ভার্জিল ফন ডাইক শুধু একজন ডিফেন্ডার নন, নেদারল্যান্ডসের আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে তিনবার ফাইনালে উঠেও শিরোপা না জেতা ডাচদের আক্ষেপ ঘোচানোর মিশনে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। বয়সের হিসেবে এটিই হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ, তাই দেশের প্রথম শিরোপা জয়ের জন্য নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিতে প্রস্তুত এই অধিনায়ক।
২০২৬ বিশ্বকাপ তাই শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়। এটি এক প্রজন্মের বিদায়ের গল্প, আবার আরেক প্রজন্মের উত্থানের মহাকাব্য। এখানে কেউ শেষবারের মতো ইতিহাস ছুঁতে চাইবেন, কেউ শুরু করবেন নিজের কিংবদন্তি হয়ে ওঠার যাত্রা। উত্তর আমেরিকার মাঠে তাই ফুটবলপ্রেমীরা দেখতে পাবেন একই সঙ্গে বিদায়ের অশ্রু আর নতুন সূর্যের উদয়।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপ শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়। এটি আবেগ, স্বপ্ন, গৌরব আর ইতিহাস রচনার মহামঞ্চ। চার বছর পরপর ফুটবল বিশ্বকে একসূত্রে গেঁথে ফেলা এই আসর যেমন জন্ম দেয় নতুন নায়কের, তেমনি বিদায় জানায় অসংখ্য কিংবদন্তিকেও।
উত্তর আমেরিকার তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপও হতে যাচ্ছে এমনই এক সন্ধিক্ষণের গল্প। একদিকে লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, নেইমার জুনিয়র ও লুকা মদরিচদের মতো কিংবদন্তিদের শেষ বিশ্বকাপ দেখার অপেক্ষা, অন্যদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে, লামিন ইয়ামাল, জামাল মুসিয়ালা কিংবা আর্লিং হলান্ডদের বিশ্ব ফুটবলের নতুন অধিপতি হয়ে ওঠার লড়াই।
২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে ফুটবলের প্রায় সব স্বপ্ন পূরণ করেছেন লিওনেল মেসি। তবুও ২০২৬ বিশ্বকাপে তার সামনে রয়েছে আরও কিছু অনন্য অর্জনের হাতছানি।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড ইতোমধ্যেই নিজের করে নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকাতেও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে। আর যদি শেষবারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে তুলতে পারেন, তবে সেটি হবে তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সবচেয়ে রঙিন সমাপ্তিগুলোর একটি।
ব্যক্তিগত অর্জনের প্রায় সব শিখর স্পর্শ করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা এই পর্তুগিজ মহাতারকার ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য রেকর্ড ও শিরোপা।
তবে বিশ্বকাপ ট্রফি এখনো অধরা। ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে সেই অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণের শেষ সুযোগ। বয়স চল্লিশ পেরোলেও তার ফিটনেস, আত্মবিশ্বাস এবং জয়ের ক্ষুধা এখনো তরুণদের অনুপ্রেরণা।
চোটের দীর্ঘ দুর্ভোগ কাটিয়ে আবারও জাতীয় দলে ফিরেছেন নেইমার জুনিয়র। ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই তারকার কাঁধেই থাকবে সেলেসাওদের আক্রমণভাগের বড় দায়িত্ব।
বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে না পারার আক্ষেপ ঘোচানোর এটাই হতে পারে তার শেষ বড় সুযোগ। তাই ব্রাজিল সমর্থকদের আশা, শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চে জ্বলে উঠবেন নেইমার।
লুকা মদরিচের নাম উচ্চারিত হলেই মনে পড়ে ২০১৮ বিশ্বকাপের সেই অবিশ্বাস্য যাত্রার কথা। তার নেতৃত্বেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল ক্রোয়েশিয়া।
দীর্ঘ দুই দশক ধরে দেশের ফুটবলের মুখ হয়ে থাকা এই মিডফিল্ড জাদুকর বয়সের ভার সত্ত্বেও এখনো মাঠে সমান কার্যকর। ২০২৬ বিশ্বকাপই হতে পারে তার শেষ বিশ্বমঞ্চ।
মাত্র কিশোর বয়সেই ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম বড় নাম হয়ে উঠেছেন লামিন ইয়ামাল। স্পেনের ভবিষ্যৎ হিসেবে বিবেচিত এই তরুণ ইতোমধ্যেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছেন।
বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে আগামী এক দশক বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম মুখ হয়ে উঠতে পারেন তিনি।
একটি বিশ্বকাপ শিরোপা, একটি বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক এবং অসংখ্য রেকর্ড। কিলিয়ান এমবাপ্পে ইতোমধ্যেই নিজেকে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা পারফরমার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তবে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিততে পারলে তিনি পৌঁছে যাবেন ফুটবল কিংবদন্তিদের কাতারে। তাই ২০২৬ বিশ্বকাপ তার জন্য শুধু আরেকটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং নিজের অবস্থান আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার মঞ্চ।
দীর্ঘ সময় চোট আর অনিয়মিত পারফরম্যান্সের সমালোচনা পেরিয়ে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন উসমান দেম্বেলে।
ক্লাব ফুটবলে সাফল্য পেলেও বিশ্বকাপে এখনো নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে সেই অপেক্ষার অবসানের মঞ্চ।
ক্লাব ফুটবলে গোলের বন্যা বইয়ে দেওয়া আর্লিং হলান্ড এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে নামতে যাচ্ছেন।
নরওয়ের সমর্থকদের আশা, বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে ভয়ংকর এই গোলদাতা বিশ্বকাপেও একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।
জামাল মুসিয়ালার পায়ে আছে গতি, কৌশল আর সৃজনশীলতার অনন্য মিশেল। ইতোমধ্যেই তিনি জার্মানির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন।
চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার দায়িত্বের বড় অংশই এবার তার কাঁধে।
ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন বহু বছর ধরে দলের আস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
১৯৬৬ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণে এবারও ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ভরসা অধিনায়ক কেইন।
২০২২ বিশ্বকাপে মরক্কোর ঐতিহাসিক সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন আশরাফ হাকিমি।
এবারও আফ্রিকার প্রতিনিধিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় স্বপ্ন দেখছে মরক্কো। সেই স্বপ্নের কেন্দ্রেই আছেন আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা ফুল-ব্যাক।
ভার্জিল ফন ডাইক শুধু একজন ডিফেন্ডার নন, নেদারল্যান্ডসের আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে তিনবার ফাইনালে উঠেও শিরোপা না জেতা ডাচদের আক্ষেপ ঘোচানোর মিশনে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। বয়সের হিসেবে এটিই হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ, তাই দেশের প্রথম শিরোপা জয়ের জন্য নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিতে প্রস্তুত এই অধিনায়ক।
২০২৬ বিশ্বকাপ তাই শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়। এটি এক প্রজন্মের বিদায়ের গল্প, আবার আরেক প্রজন্মের উত্থানের মহাকাব্য। এখানে কেউ শেষবারের মতো ইতিহাস ছুঁতে চাইবেন, কেউ শুরু করবেন নিজের কিংবদন্তি হয়ে ওঠার যাত্রা। উত্তর আমেরিকার মাঠে তাই ফুটবলপ্রেমীরা দেখতে পাবেন একই সঙ্গে বিদায়ের অশ্রু আর নতুন সূর্যের উদয়।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন