প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার জাতীয় বাজেটকে উচ্চাভিলাষী আখ্যা দিয়ে এর কার্যকর বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দলটির নেতারা বলেছেন, বাজেটের আকার বড় হওয়াই মূল বিষয় নয়; বরং জনগণের কল্যাণে এর বাস্তব প্রয়োগ এবং অর্থনৈতিক সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে করের আওতা সম্প্রসারণের কথা বলা হলেও সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দলটির নেতারা আরও বলেন, সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এবং দুর্নীতি ও অপচয় নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বাজেটের প্রত্যাশিত সুফল অর্জন করা সম্ভব হবে না। তাই বাজেট বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তাদের মতে, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হলে বাজেটকে হতে হবে বাস্তবসম্মত, জনবান্ধব এবং দুর্নীতিমুক্ত।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার জাতীয় বাজেটকে উচ্চাভিলাষী আখ্যা দিয়ে এর কার্যকর বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দলটির নেতারা বলেছেন, বাজেটের আকার বড় হওয়াই মূল বিষয় নয়; বরং জনগণের কল্যাণে এর বাস্তব প্রয়োগ এবং অর্থনৈতিক সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে করের আওতা সম্প্রসারণের কথা বলা হলেও সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দলটির নেতারা আরও বলেন, সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এবং দুর্নীতি ও অপচয় নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বাজেটের প্রত্যাশিত সুফল অর্জন করা সম্ভব হবে না। তাই বাজেট বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তাদের মতে, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হলে বাজেটকে হতে হবে বাস্তবসম্মত, জনবান্ধব এবং দুর্নীতিমুক্ত।

আপনার মতামত লিখুন