মৌলভীবাজারে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃত শিশুদের অধিকাংশই কয়েকদিন ধরে জ্বর, শরীরে লালচে ফুসকুড়ি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ হামের বিভিন্ন উপসর্গে ভুগছিল। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এদিকে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নতুন করে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত শিশু শনাক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আক্রান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ও টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শিশুদের এমআর (Measles-Rubella) টিকা গ্রহণ নিশ্চিত না করলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি শিশুদের টিকাদান সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি, চোখ লাল হওয়া কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। একই সঙ্গে আক্রান্ত শিশুদের অন্যদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
মৌলভীবাজারে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃত শিশুদের অধিকাংশই কয়েকদিন ধরে জ্বর, শরীরে লালচে ফুসকুড়ি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ হামের বিভিন্ন উপসর্গে ভুগছিল। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এদিকে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নতুন করে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত শিশু শনাক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আক্রান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ও টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শিশুদের এমআর (Measles-Rubella) টিকা গ্রহণ নিশ্চিত না করলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি শিশুদের টিকাদান সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি, চোখ লাল হওয়া কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। একই সঙ্গে আক্রান্ত শিশুদের অন্যদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন