সৌদি আরবের আল-খারজ বিমান ঘাঁটিতে হামলার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এক সামরিক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ওই ঘাঁটিতে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের গোলাবর্ষণ বা হামলা চালানো হয়নি।
আল-খারজ ঘাঁটিতে বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এই আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানায় তেহরান। এর আগে সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ আল-খারজ গভর্নরেটে সম্ভাব্য বিপদের সতর্কতা জারি করেছিল, যা পরিস্থিতিকে ঘিরে উদ্বেগ আরও বাড়ায়।
এদিকে একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রোববার রাতে একাধিক দফায় হামলা চালানো হয় এবং দেশজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে।
তবে ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ইরান থেকে ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। হামলার প্রায় এক ঘণ্টা পর সাধারণ নাগরিকদের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। ইরানি গণমাধ্যমে এই হামলাকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি অভিযানের প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও হামলার দাবি-অস্বীকারের মধ্য দিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
সৌদি আরবের আল-খারজ বিমান ঘাঁটিতে হামলার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এক সামরিক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ওই ঘাঁটিতে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের গোলাবর্ষণ বা হামলা চালানো হয়নি।
আল-খারজ ঘাঁটিতে বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এই আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানায় তেহরান। এর আগে সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ আল-খারজ গভর্নরেটে সম্ভাব্য বিপদের সতর্কতা জারি করেছিল, যা পরিস্থিতিকে ঘিরে উদ্বেগ আরও বাড়ায়।
এদিকে একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রোববার রাতে একাধিক দফায় হামলা চালানো হয় এবং দেশজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে।
তবে ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ইরান থেকে ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। হামলার প্রায় এক ঘণ্টা পর সাধারণ নাগরিকদের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। ইরানি গণমাধ্যমে এই হামলাকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি অভিযানের প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও হামলার দাবি-অস্বীকারের মধ্য দিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন