চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সন্ত্রাস ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অভিযান আরও জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের বার্তা—অপরাধীর রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে মূলত চাঁদাবাজ, দখলদার, তালিকাভুক্ত ও উদীয়মান সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র। আন্ডারওয়ার্ল্ডের সক্রিয় গ্যাং ও পুরোনো শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তৎপরতার ওপরও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
আরেকটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে পুলিশের সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, দখল ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগে সহস্রাধিক রাজনৈতিক নেতাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। একাধিক সংসদ সদস্যের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নজরদারিতে থাকা বা তালিকায় নাম থাকা মানেই কারও বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়।
সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ ওঠায় রাজনৈতিক পরিচয় দেখে ছাড় না দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিক ও ইসিবি এলাকার ঘটনার পর দলীয় পর্যায়েও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী, অপরাধী যত প্রভাবশালী বা যে দলেরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং রাজধানীতে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
ফটোকার্ড/থাম্বনেইল:সরকারের গ্রিন সিগন্যাল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেটার্গেটে চাঁদাবাজ-দখলদার, নজরে সহস্রাধিক নেতা
সরকারের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে, নজরে কারা?
চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সন্ত্রাস ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অভিযান আরও জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের বার্তা—অপরাধীর রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।








