দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে এখনও পুরোপুরি স্বস্তি ফিরেনি। যদিও বেশ কয়েকটি পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে, তবুও চাল, ডিম, ভোজ্যতেল ও কিছু সবজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। ফলে দৈনন্দিন বাজার করতে গিয়ে বাড়তি খরচের চাপ অনুভব করছেন ভোক্তারা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, মোটা চাল প্রতি কেজি ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা, মাঝারি চাল ৬৮ থেকে ৭৮ টাকা এবং উন্নত মানের মিনিকেট চাল ৮০ থেকে ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও পেঁয়াজের দাম এখনও বেশ চড়া।
ডিমের বাজারেও স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ডিম ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৮০ থেকে ২২০ টাকার মধ্যে রয়েছে। মাছের বাজারে রুই, কাতলা ও অন্যান্য দেশীয় মাছের দামও তুলনামূলক বেশি।
ভোজ্যতেলের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আগের তুলনায় কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও খোলা তেলের দাম এখনও বেশি। মৌসুমি সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় অধিকাংশ সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে কাঁচামরিচের বাজারে দামের ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন খরচ এবং মৌসুমি চাহিদার কারণে কিছু পণ্যের দাম বাড়তি রয়েছে। অন্যদিকে ভোক্তাদের দাবি, বাজার তদারকি আরও জোরদার করা হলে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
এদিকে আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কিছু পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে এখনও পুরোপুরি স্বস্তি ফিরেনি। যদিও বেশ কয়েকটি পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে, তবুও চাল, ডিম, ভোজ্যতেল ও কিছু সবজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। ফলে দৈনন্দিন বাজার করতে গিয়ে বাড়তি খরচের চাপ অনুভব করছেন ভোক্তারা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, মোটা চাল প্রতি কেজি ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা, মাঝারি চাল ৬৮ থেকে ৭৮ টাকা এবং উন্নত মানের মিনিকেট চাল ৮০ থেকে ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও পেঁয়াজের দাম এখনও বেশ চড়া।
ডিমের বাজারেও স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ডিম ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৮০ থেকে ২২০ টাকার মধ্যে রয়েছে। মাছের বাজারে রুই, কাতলা ও অন্যান্য দেশীয় মাছের দামও তুলনামূলক বেশি।
ভোজ্যতেলের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আগের তুলনায় কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও খোলা তেলের দাম এখনও বেশি। মৌসুমি সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় অধিকাংশ সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে কাঁচামরিচের বাজারে দামের ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন খরচ এবং মৌসুমি চাহিদার কারণে কিছু পণ্যের দাম বাড়তি রয়েছে। অন্যদিকে ভোক্তাদের দাবি, বাজার তদারকি আরও জোরদার করা হলে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
এদিকে আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কিছু পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন