উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশটির নৌবাহিনীর পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন। তার এ ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, সাম্প্রতিক এক সামরিক পরিদর্শনে কিম জং উন নৌবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার নির্দেশ দেন।
কিম জং উন বলেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এ পদক্ষেপ পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। ইতোমধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতির ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত শক্তি আরও বাড়বে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া দাবি করেছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহিরাগত হুমকি মোকাবিলার লক্ষ্যেই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নত করা হচ্ছে।
এদিকে উত্তর কোরিয়ার এই নতুন সামরিক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকে নজর রাখছে বিশ্ব।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশটির নৌবাহিনীর পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন। তার এ ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, সাম্প্রতিক এক সামরিক পরিদর্শনে কিম জং উন নৌবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার নির্দেশ দেন।
কিম জং উন বলেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এ পদক্ষেপ পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। ইতোমধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতির ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত শক্তি আরও বাড়বে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া দাবি করেছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহিরাগত হুমকি মোকাবিলার লক্ষ্যেই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নত করা হচ্ছে।
এদিকে উত্তর কোরিয়ার এই নতুন সামরিক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকে নজর রাখছে বিশ্ব।

আপনার মতামত লিখুন