ভারতের অনলাইনভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে ফিরছেন এবং সেখানে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তার এই আগমন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
৩০ বছর বয়সী দীপকে জানিয়েছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরছেন এবং শনিবার শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নিতে পুলিশের অনুমতি চাইবেন। তার প্রধান দাবি হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।
দেশের বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইতোমধ্যেই সমালোচনার মুখে রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দীপকে বলেন, তিনি ভারতে ফিরছেন এবং নিজের ভবিষ্যৎ সংবিধানের ওপর ছেড়ে দিচ্ছেন।
বিক্ষোভকে ঘিরে সমর্থকদের বড় জমায়েতের সম্ভাবনা থাকলেও দীপকে সবাইকে বিশৃঙ্খলা এড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিমানবন্দরে অতিরিক্ত ভিড় হলে সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর অসুবিধা হতে পারে। তাই সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোনম ওয়াংচুকসহ কয়েকজন অধিকারকর্মীও এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সম্প্রতি লাদাখে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলনের পর তিনি আলোচনায় আসেন।
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গত মাসে অনলাইনে যাত্রা শুরু করে দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বিজেপির নামের অনুকরণে গঠিত এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মটি তরুণদের মধ্যে বিশেষ সাড়া ফেলেছে।
ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই সংগঠনের জন্ম হয়, যেখানে তরুণ সমালোচকদের উদ্দেশে ‘তেলাপোকা’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। পরবর্তীতে সেই মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়।
অভিজিৎ দীপকে ১৬ মে অনলাইনে দলটি প্রতিষ্ঠা করেন, যা ‘তরুণদের জন্য, তরুণদের দ্বারা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম’ হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিচ্ছে। স্বল্প সময়েই দলটির অনুসারী সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।
বিষয় : ককরোচ জনতা পার্টি অভিজিৎ দীপকে

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
ভারতের অনলাইনভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে ফিরছেন এবং সেখানে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তার এই আগমন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
৩০ বছর বয়সী দীপকে জানিয়েছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরছেন এবং শনিবার শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নিতে পুলিশের অনুমতি চাইবেন। তার প্রধান দাবি হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।
দেশের বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইতোমধ্যেই সমালোচনার মুখে রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দীপকে বলেন, তিনি ভারতে ফিরছেন এবং নিজের ভবিষ্যৎ সংবিধানের ওপর ছেড়ে দিচ্ছেন।
বিক্ষোভকে ঘিরে সমর্থকদের বড় জমায়েতের সম্ভাবনা থাকলেও দীপকে সবাইকে বিশৃঙ্খলা এড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিমানবন্দরে অতিরিক্ত ভিড় হলে সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর অসুবিধা হতে পারে। তাই সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোনম ওয়াংচুকসহ কয়েকজন অধিকারকর্মীও এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সম্প্রতি লাদাখে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলনের পর তিনি আলোচনায় আসেন।
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গত মাসে অনলাইনে যাত্রা শুরু করে দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বিজেপির নামের অনুকরণে গঠিত এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মটি তরুণদের মধ্যে বিশেষ সাড়া ফেলেছে।
ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই সংগঠনের জন্ম হয়, যেখানে তরুণ সমালোচকদের উদ্দেশে ‘তেলাপোকা’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। পরবর্তীতে সেই মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়।
অভিজিৎ দীপকে ১৬ মে অনলাইনে দলটি প্রতিষ্ঠা করেন, যা ‘তরুণদের জন্য, তরুণদের দ্বারা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম’ হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিচ্ছে। স্বল্প সময়েই দলটির অনুসারী সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন