বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
সফরকালে তিনি বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ও তুরস্ক-এর মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের বিষয়ে দুই পক্ষ গুরুত্ব দেবে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরকে ঢাকা ও আঙ্কারার মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে সফরটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
সফরকালে তিনি বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ও তুরস্ক-এর মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের বিষয়ে দুই পক্ষ গুরুত্ব দেবে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরকে ঢাকা ও আঙ্কারার মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে সফরটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন