গ্রেপ্তারকৃত ওমর ফারুক চুয়াডাঙ্গা শহরের পলাশপাড়া এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী নারীর দায়ের করা পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার সবুজপাড়া এলাকার এক নারী নিজ বাড়ির নিচতলার ওয়াশরুমে গোসল করছিলেন। এ সময় তিনি ভেন্টিলেটরের দিকে তাকিয়ে দেখতে পান, পাশের একটি আমগাছে উঠে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার গোসলের ভিডিও ধারণ করছে ওমর ফারুক। বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই নারী চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত যুবক দ্রুত গাছ থেকে নেমে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর ওমর ফারুক তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর থেকে ভুক্তভোগী নারীর হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে। সে ধারণকৃত নগ্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করে ব্ল্যাকমেইল শুরু করে। উপায়ান্তর না দেখে ভুক্তভোগী নারী চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
অভিযান ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, "অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করি। এরপর দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।"
ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের সুরক্ষায় এবং এ ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
গ্রেপ্তারকৃত ওমর ফারুক চুয়াডাঙ্গা শহরের পলাশপাড়া এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী নারীর দায়ের করা পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার সবুজপাড়া এলাকার এক নারী নিজ বাড়ির নিচতলার ওয়াশরুমে গোসল করছিলেন। এ সময় তিনি ভেন্টিলেটরের দিকে তাকিয়ে দেখতে পান, পাশের একটি আমগাছে উঠে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার গোসলের ভিডিও ধারণ করছে ওমর ফারুক। বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই নারী চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত যুবক দ্রুত গাছ থেকে নেমে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর ওমর ফারুক তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর থেকে ভুক্তভোগী নারীর হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে। সে ধারণকৃত নগ্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করে ব্ল্যাকমেইল শুরু করে। উপায়ান্তর না দেখে ভুক্তভোগী নারী চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
অভিযান ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, "অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করি। এরপর দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।"
ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের সুরক্ষায় এবং এ ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন