পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তিনি দাবি করেন, দুই ঘণ্টার মধ্যে একজন ওসিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন এবং একই সময়ের মধ্যে সেনাবাহিনীর একজন মেজরকেও বদলি করার সক্ষমতা রাখেন তিনি।
গত শনিবার বাউফল উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মজিবর রহমান বাচ্চু।
ভাইরাল ভিডিওতে শফিকুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, তিনি শুধু ভোটে নয়, ক্ষমতার জোরেও সংসদ সদস্য হয়েছেন। ক্ষমতা প্রদর্শনের চেষ্টা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তার পেছনে পাঁচ লাখ মানুষের সমর্থন রয়েছে।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি নিজের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক প্রভাবের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তাকে নিয়ে জানতে চাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিংবা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে খোঁজ নেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে তিনি সমালোচকদের উদ্দেশে সতর্কতামূলক ভাষায় মন্তব্য করেন এবং উসকানিমূলক বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
তবে একই অনুষ্ঠানে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তার ভাষ্য, অবকাঠামোগত উন্নয়ন সত্ত্বেও জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হওয়ায় শেখ হাসিনার সরকার জনসমর্থন ধরে রাখতে পারেনি। মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য শুধু উন্নয়ন নয়, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাও জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিতর্কিত বক্তব্য প্রসঙ্গে সোমবার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, তার প্রয়াত বাবা, শ্বশুর এবং স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও অশালীন মন্তব্য করা হচ্ছিল। ওই পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় তিনি কিছু বক্তব্য দিয়েছেন। তার দাবি, বক্তব্যের ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো উপেক্ষা করে কেবল নির্দিষ্ট কিছু অংশকে কেন্দ্র করে আলোচনা ও সমালোচনা করা হচ্ছে।
বিষয় : শফিকুল ইসলাম মাসুদ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তিনি দাবি করেন, দুই ঘণ্টার মধ্যে একজন ওসিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন এবং একই সময়ের মধ্যে সেনাবাহিনীর একজন মেজরকেও বদলি করার সক্ষমতা রাখেন তিনি।
গত শনিবার বাউফল উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মজিবর রহমান বাচ্চু।
ভাইরাল ভিডিওতে শফিকুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, তিনি শুধু ভোটে নয়, ক্ষমতার জোরেও সংসদ সদস্য হয়েছেন। ক্ষমতা প্রদর্শনের চেষ্টা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তার পেছনে পাঁচ লাখ মানুষের সমর্থন রয়েছে।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি নিজের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক প্রভাবের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তাকে নিয়ে জানতে চাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিংবা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে খোঁজ নেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে তিনি সমালোচকদের উদ্দেশে সতর্কতামূলক ভাষায় মন্তব্য করেন এবং উসকানিমূলক বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
তবে একই অনুষ্ঠানে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তার ভাষ্য, অবকাঠামোগত উন্নয়ন সত্ত্বেও জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হওয়ায় শেখ হাসিনার সরকার জনসমর্থন ধরে রাখতে পারেনি। মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য শুধু উন্নয়ন নয়, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাও জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিতর্কিত বক্তব্য প্রসঙ্গে সোমবার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, তার প্রয়াত বাবা, শ্বশুর এবং স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও অশালীন মন্তব্য করা হচ্ছিল। ওই পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় তিনি কিছু বক্তব্য দিয়েছেন। তার দাবি, বক্তব্যের ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো উপেক্ষা করে কেবল নির্দিষ্ট কিছু অংশকে কেন্দ্র করে আলোচনা ও সমালোচনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন