ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পদত্যাগ করেছেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে তেহরান। দেশটির সরকার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ সংক্রান্ত খবর মিথ্যা এবং বিদেশি কিছু গণমাধ্যমের পরিকল্পিত প্রচারণার অংশ।
প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের যোগাযোগবিষয়ক উপপ্রধান মেহদি তাবাতাবায়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, পেজেশকিয়ান কখনোই ইরানের জনগণের সেবা থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তিনি বলেন, দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত তথাকথিত ‘মিডিয়া গেম’-এর অংশ হিসেবেই এ ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
তাবাতাবায়ি আরও বলেন, ইরান ঐক্য ও সংহতির পথ থেকে সরে যাবে না। জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করার যেকোনো প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে বিভাজন নিয়ে চলা বিভিন্ন জল্পনাকল্পনাও প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তেহরান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও পরবর্তীতে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। এরপর থেকে যুদ্ধের অবসান এবং সরাসরি আলোচনা পুনরায় শুরু করার লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিভিন্ন প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব বিনিময় অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পদত্যাগ করেছেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে তেহরান। দেশটির সরকার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ সংক্রান্ত খবর মিথ্যা এবং বিদেশি কিছু গণমাধ্যমের পরিকল্পিত প্রচারণার অংশ।
প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের যোগাযোগবিষয়ক উপপ্রধান মেহদি তাবাতাবায়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, পেজেশকিয়ান কখনোই ইরানের জনগণের সেবা থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তিনি বলেন, দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত তথাকথিত ‘মিডিয়া গেম’-এর অংশ হিসেবেই এ ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
তাবাতাবায়ি আরও বলেন, ইরান ঐক্য ও সংহতির পথ থেকে সরে যাবে না। জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করার যেকোনো প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে বিভাজন নিয়ে চলা বিভিন্ন জল্পনাকল্পনাও প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তেহরান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও পরবর্তীতে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। এরপর থেকে যুদ্ধের অবসান এবং সরাসরি আলোচনা পুনরায় শুরু করার লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিভিন্ন প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব বিনিময় অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু।

আপনার মতামত লিখুন