চার বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের পর আবারও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর বসতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে শুরু হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে উন্মাদনা।
কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে তাজা। সেই আসরে শিরোপা জিতে লিওনেল মেসি পূর্ণতা পেয়েছিলেন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জনে। এরপর কেটে গেছে চার বছর। অপেক্ষা, আলোচনা আর স্বপ্ন বুকে নিয়ে সমর্থকেরা আবারও বিশ্বকাপের দিন গুনেছেন।
এবারের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজন। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে এই আসরে। তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে ৩৯ দিনব্যাপী চলবে ফুটবলের এই মহোৎসব। শিরোপাধারী দল তাদের মুকুট ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে, অন্যরা নামবে হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার কিংবা নতুন ইতিহাস গড়ার প্রত্যয়ে।
১ জুন শুরু হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের মাস। আগামী ১১ জুন মেক্সিকো সিটির স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে আসরের। উদ্বোধনী ম্যাচের মধ্য দিয়েই শুরু হবে বিশ্বকাপের নতুন অধ্যায়।
এবারের আসরে বিশেষ নজর থাকবে ফুটবলের কয়েকজন মহাতারকার দিকে। লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলতে যাচ্ছেন নিজেদের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, যা তাদের ক্যারিয়ারের আরেকটি অনন্য মাইলফলক। নেইমার অংশ নেবেন চতুর্থ বিশ্বকাপে। পাশাপাশি কিলিয়ান এমবাপ্পে নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপে মাঠে নামতে প্রস্তুত। গত আসরের গোল্ডেন বুটজয়ী এই ফরাসি তারকার দিকে থাকবে বাড়তি নজর। এছাড়া ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, লামিন ইয়ামাল, জুড বেলিংহ্যাম ও আর্লিং হালান্ডও আলোচনার কেন্দ্রে থাকবেন।
বিশ্বকাপে প্রতি আসরেই কোনো না কোনো দল চমক দেখায়। ২০২২ সালে মরক্কোর সেমিফাইনালে ওঠা ছিল তেমনই এক বিস্ময়। এবারও কোনো ডার্ক হর্স দল নতুন গল্প লিখতে পারে। জাপান, নরওয়ে ও কানাডার মতো দলগুলোকেও সম্ভাবনার তালিকায় রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে জর্ডান, উজবেকিস্তান, কেপ ভার্দে ও কুরাসাও প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজেদের প্রমাণের অপেক্ষায়।
বিশ্বকাপ কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি বৈশ্বিক আবেগের নাম। আগামী কয়েক সপ্তাহে পৃথিবী বিভক্ত হবে নানা দেশের পতাকা ও সমর্থনে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবাইকে এক সুতোয় বেঁধে রাখবে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা। নতুন নায়ক জন্ম নেবে, নতুন ইতিহাস রচিত হবে, আর কোটি কোটি মানুষ সেই মুহূর্তগুলোর সাক্ষী হবে।
আর সেই মহাযজ্ঞের উদ্বোধনী বাঁশি বাজার অপেক্ষা এখন মাত্র কয়েক দিনের।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
চার বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের পর আবারও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর বসতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে শুরু হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে উন্মাদনা।
কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে তাজা। সেই আসরে শিরোপা জিতে লিওনেল মেসি পূর্ণতা পেয়েছিলেন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জনে। এরপর কেটে গেছে চার বছর। অপেক্ষা, আলোচনা আর স্বপ্ন বুকে নিয়ে সমর্থকেরা আবারও বিশ্বকাপের দিন গুনেছেন।
এবারের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজন। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে এই আসরে। তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে ৩৯ দিনব্যাপী চলবে ফুটবলের এই মহোৎসব। শিরোপাধারী দল তাদের মুকুট ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে, অন্যরা নামবে হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার কিংবা নতুন ইতিহাস গড়ার প্রত্যয়ে।
১ জুন শুরু হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের মাস। আগামী ১১ জুন মেক্সিকো সিটির স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে আসরের। উদ্বোধনী ম্যাচের মধ্য দিয়েই শুরু হবে বিশ্বকাপের নতুন অধ্যায়।
এবারের আসরে বিশেষ নজর থাকবে ফুটবলের কয়েকজন মহাতারকার দিকে। লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলতে যাচ্ছেন নিজেদের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, যা তাদের ক্যারিয়ারের আরেকটি অনন্য মাইলফলক। নেইমার অংশ নেবেন চতুর্থ বিশ্বকাপে। পাশাপাশি কিলিয়ান এমবাপ্পে নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপে মাঠে নামতে প্রস্তুত। গত আসরের গোল্ডেন বুটজয়ী এই ফরাসি তারকার দিকে থাকবে বাড়তি নজর। এছাড়া ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, লামিন ইয়ামাল, জুড বেলিংহ্যাম ও আর্লিং হালান্ডও আলোচনার কেন্দ্রে থাকবেন।
বিশ্বকাপে প্রতি আসরেই কোনো না কোনো দল চমক দেখায়। ২০২২ সালে মরক্কোর সেমিফাইনালে ওঠা ছিল তেমনই এক বিস্ময়। এবারও কোনো ডার্ক হর্স দল নতুন গল্প লিখতে পারে। জাপান, নরওয়ে ও কানাডার মতো দলগুলোকেও সম্ভাবনার তালিকায় রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে জর্ডান, উজবেকিস্তান, কেপ ভার্দে ও কুরাসাও প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজেদের প্রমাণের অপেক্ষায়।
বিশ্বকাপ কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি বৈশ্বিক আবেগের নাম। আগামী কয়েক সপ্তাহে পৃথিবী বিভক্ত হবে নানা দেশের পতাকা ও সমর্থনে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবাইকে এক সুতোয় বেঁধে রাখবে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা। নতুন নায়ক জন্ম নেবে, নতুন ইতিহাস রচিত হবে, আর কোটি কোটি মানুষ সেই মুহূর্তগুলোর সাক্ষী হবে।
আর সেই মহাযজ্ঞের উদ্বোধনী বাঁশি বাজার অপেক্ষা এখন মাত্র কয়েক দিনের।

আপনার মতামত লিখুন