সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর কদমতলা এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসকে দ্রুতগতির একটি স্লিপার কোচ সজোরে ধাক্কা দিলে দুইজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (৩১ মে) ভোরে উপজেলার তাজপুর কদমতলা এলাকায় এম এ আজিজ ইনডোর গ্রাউন্ডের সামনে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিলেটগামী ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-০৬০২ নম্বরের যাতায়াত পরিবহনের একটি বাসে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সেটি মহাসড়কের পাশে থামানো হয়। এ সময় বাসটির চালক ও হেলপার নিচে নেমে মেরামতের কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে পেছন দিক থেকে আসা সিলেটগামী ঢাকা মেট্রো-ব-১১-০২৪১ নম্বরের সেন্টমার্টিন স্লিপার কোচ দ্রুতগতিতে এসে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এতে ঘটনাস্থলেই যাতায়াত পরিবহনের চালক সোহেল (৩০) ও হেলপার ইমন (২০) নিহত হন। নিহত সোহেল নরসিংদী জেলার সাহেপ্রতাপ এলাকার মো. তাজুল ইসলামের ছেলে। হেলপার ইমনের বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনায় বাসে থাকা যাত্রী মো. মাসুম মিয়া (৪৫), ফাহিম (২০), আনাজ (২০) ও জহির (২৫) গুরুতর আহত হন। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এছাড়া উভয় বাসের অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে ওসমানীনগর ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। একই সঙ্গে মহাসড়কে সৃষ্ট যানজট নিরসনে কাজ করে তারা। পরে হাইওয়ে পুলিশ নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং দুর্ঘটনাকবলিত দুটি বাস নিজেদের হেফাজতে নেয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অতিরিক্ত গতি ও চালকদের অসতর্কতার কারণে মহাসড়কে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর কদমতলা এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসকে দ্রুতগতির একটি স্লিপার কোচ সজোরে ধাক্কা দিলে দুইজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (৩১ মে) ভোরে উপজেলার তাজপুর কদমতলা এলাকায় এম এ আজিজ ইনডোর গ্রাউন্ডের সামনে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিলেটগামী ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-০৬০২ নম্বরের যাতায়াত পরিবহনের একটি বাসে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সেটি মহাসড়কের পাশে থামানো হয়। এ সময় বাসটির চালক ও হেলপার নিচে নেমে মেরামতের কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে পেছন দিক থেকে আসা সিলেটগামী ঢাকা মেট্রো-ব-১১-০২৪১ নম্বরের সেন্টমার্টিন স্লিপার কোচ দ্রুতগতিতে এসে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এতে ঘটনাস্থলেই যাতায়াত পরিবহনের চালক সোহেল (৩০) ও হেলপার ইমন (২০) নিহত হন। নিহত সোহেল নরসিংদী জেলার সাহেপ্রতাপ এলাকার মো. তাজুল ইসলামের ছেলে। হেলপার ইমনের বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনায় বাসে থাকা যাত্রী মো. মাসুম মিয়া (৪৫), ফাহিম (২০), আনাজ (২০) ও জহির (২৫) গুরুতর আহত হন। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এছাড়া উভয় বাসের অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে ওসমানীনগর ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। একই সঙ্গে মহাসড়কে সৃষ্ট যানজট নিরসনে কাজ করে তারা। পরে হাইওয়ে পুলিশ নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং দুর্ঘটনাকবলিত দুটি বাস নিজেদের হেফাজতে নেয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অতিরিক্ত গতি ও চালকদের অসতর্কতার কারণে মহাসড়কে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন