প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও দীর্ঘদিনের সঞ্চয়ের মাধ্যমে ১০৪ বছর বয়সে হজ পালন করে আলোচনায় এসেছেন ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার কেদিরি এলাকার বাসিন্দা এমবা মারসিয়াহ। চলতি বছরের হজযাত্রীদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে বয়স্ক হাজি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
ইন্দোনেশিয়ার ২০২৬ সালের হজ কাফেলায় অনুমোদিত ২ লাখ ২১ হাজার মুসল্লির একজন ছিলেন মারসিয়াহ। বহু বছরের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি ২০২১ সালে হজের জন্য নিবন্ধন করেন এবং ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় অর্থ সঞ্চয় করতে শুরু করেন।
জীবিকা হিসেবে তিনি স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী খাবার বিক্রি করতেন। সেই আয় থেকে অল্প অল্প করে টাকা জমিয়ে হজের খরচ সংগ্রহ করেন। মারসিয়াহ জানান, তিনি একটি পাত্রে নিয়মিত অর্থ জমাতেন। সঞ্চয়ে ঘাটতি থাকলে তার ছেলে প্রয়োজনীয় অর্থ যোগ করে দিতেন।
দীর্ঘ সময় ধরে গোপনে সঞ্চয় চালিয়ে গেলেও শুরুতে তিনি বিষয়টি কাউকে জানাননি। পর্যাপ্ত অর্থ জমার পর পরিবারের সদস্য ও পরিচিতজনদের কাছে নিজের হজের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন।
১৯২১ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণকারী মারসিয়াহ বর্তমানে লাঠির সাহায্যে ধীরে চলাফেরা করতে পারেন। তবে হজের অধিকাংশ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তিনি হুইলচেয়ারের সহায়তা নিয়েছেন। গত ২২ মে তিনি তার ৬৭ বছর বয়সী মেয়ে মুইদাহকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় পৌঁছান।
ইন্দোনেশিয়ার ১১২তম সুরাবায়া এমবারকেশন গ্রুপের প্রধান আবিসওয়াতুন নাধিরোহ জানান, হজের দ্বিতীয় দিন পর্যন্ত মারসিয়াহ সুস্থ ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন।
দীর্ঘ প্রতীক্ষা, অধ্যবসায় এবং অদম্য মানসিক শক্তির মাধ্যমে শতবর্ষ পেরিয়েও হজ পালনের সুযোগ অর্জন করে মারসিয়াহ অনেকের জন্য অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও দীর্ঘদিনের সঞ্চয়ের মাধ্যমে ১০৪ বছর বয়সে হজ পালন করে আলোচনায় এসেছেন ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার কেদিরি এলাকার বাসিন্দা এমবা মারসিয়াহ। চলতি বছরের হজযাত্রীদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে বয়স্ক হাজি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
ইন্দোনেশিয়ার ২০২৬ সালের হজ কাফেলায় অনুমোদিত ২ লাখ ২১ হাজার মুসল্লির একজন ছিলেন মারসিয়াহ। বহু বছরের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি ২০২১ সালে হজের জন্য নিবন্ধন করেন এবং ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় অর্থ সঞ্চয় করতে শুরু করেন।
জীবিকা হিসেবে তিনি স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী খাবার বিক্রি করতেন। সেই আয় থেকে অল্প অল্প করে টাকা জমিয়ে হজের খরচ সংগ্রহ করেন। মারসিয়াহ জানান, তিনি একটি পাত্রে নিয়মিত অর্থ জমাতেন। সঞ্চয়ে ঘাটতি থাকলে তার ছেলে প্রয়োজনীয় অর্থ যোগ করে দিতেন।
দীর্ঘ সময় ধরে গোপনে সঞ্চয় চালিয়ে গেলেও শুরুতে তিনি বিষয়টি কাউকে জানাননি। পর্যাপ্ত অর্থ জমার পর পরিবারের সদস্য ও পরিচিতজনদের কাছে নিজের হজের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন।
১৯২১ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণকারী মারসিয়াহ বর্তমানে লাঠির সাহায্যে ধীরে চলাফেরা করতে পারেন। তবে হজের অধিকাংশ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তিনি হুইলচেয়ারের সহায়তা নিয়েছেন। গত ২২ মে তিনি তার ৬৭ বছর বয়সী মেয়ে মুইদাহকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় পৌঁছান।
ইন্দোনেশিয়ার ১১২তম সুরাবায়া এমবারকেশন গ্রুপের প্রধান আবিসওয়াতুন নাধিরোহ জানান, হজের দ্বিতীয় দিন পর্যন্ত মারসিয়াহ সুস্থ ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন।
দীর্ঘ প্রতীক্ষা, অধ্যবসায় এবং অদম্য মানসিক শক্তির মাধ্যমে শতবর্ষ পেরিয়েও হজ পালনের সুযোগ অর্জন করে মারসিয়াহ অনেকের জন্য অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।

আপনার মতামত লিখুন