ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে কক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
অভিযোগকারী শিক্ষার্থী অভয় কুমার সিংহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী। সোমবার (২৫ মে) তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
অভয়ের অভিযোগ, রবীন্দ্র ভবনের নিচে একটি চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় পা রাখার বিষয়কে কেন্দ্র করে কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। পরে তিনি নিজ কক্ষে ফিরে গেলে অভিযুক্ত চারজন শিক্ষার্থী রুমে ঢুকে তার ওপর হামলা চালায় বলে দাবি করেন।
অভিযোগে তিনি ঝলক দাস, চন্দন, রিপন ও সাগরের নাম উল্লেখ করেন। তাদের মধ্যে তিনজন ২০২১-২২ সেশনের এবং একজন একই ব্যাচের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
অভয় আরও দাবি করেন, শারীরিকভাবে অক্ষম হওয়ায় তিনি স্বাভাবিকভাবেই পা তুলে বসেছিলেন। এ বিষয়টি নিয়েই শুরুতে দোকানে কথাবার্তা হয় এবং পরে তা রুম পর্যন্ত গড়ায়। তার অভিযোগ, রুমে ঢুকে তাকে চড়-থাপ্পড় মারা হয় এবং ভবিষ্যতে চায়ের দোকানে না দেখার হুমকিও দেওয়া হয়।
ঘটনাটিকে তিনি “অমানবিক” ও “লজ্জাজনক” উল্লেখ করে জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক দেবাশীষ পাল জানান, বিষয়টি জানার পর ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক শিমুল হালদারকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে প্রক্টর অফিসের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে কক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
অভিযোগকারী শিক্ষার্থী অভয় কুমার সিংহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী। সোমবার (২৫ মে) তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
অভয়ের অভিযোগ, রবীন্দ্র ভবনের নিচে একটি চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় পা রাখার বিষয়কে কেন্দ্র করে কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। পরে তিনি নিজ কক্ষে ফিরে গেলে অভিযুক্ত চারজন শিক্ষার্থী রুমে ঢুকে তার ওপর হামলা চালায় বলে দাবি করেন।
অভিযোগে তিনি ঝলক দাস, চন্দন, রিপন ও সাগরের নাম উল্লেখ করেন। তাদের মধ্যে তিনজন ২০২১-২২ সেশনের এবং একজন একই ব্যাচের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
অভয় আরও দাবি করেন, শারীরিকভাবে অক্ষম হওয়ায় তিনি স্বাভাবিকভাবেই পা তুলে বসেছিলেন। এ বিষয়টি নিয়েই শুরুতে দোকানে কথাবার্তা হয় এবং পরে তা রুম পর্যন্ত গড়ায়। তার অভিযোগ, রুমে ঢুকে তাকে চড়-থাপ্পড় মারা হয় এবং ভবিষ্যতে চায়ের দোকানে না দেখার হুমকিও দেওয়া হয়।
ঘটনাটিকে তিনি “অমানবিক” ও “লজ্জাজনক” উল্লেখ করে জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক দেবাশীষ পাল জানান, বিষয়টি জানার পর ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক শিমুল হালদারকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে প্রক্টর অফিসের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন