নাটোরের সিংড়ায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চুরির ঘটনায় আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দিয়ে চুরি হওয়া মালামাল ব্যক্তিগতভাবে কেনার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
অভিযুক্ত এসআই মো. নজরুল ইসলাম সিংড়া থানায় কর্মরত।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে চাঁদপুর মহল্লার বাসিন্দা মুনছের আলীর বাসা থেকে তার ছোট ভাই মাসুম আলী একটি ফ্রিজসহ কিছু মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে। পরে রাতে ভ্যানে করে মালামাল নেওয়ার সময় নাটোর–বগুড়া মহাসড়কের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে টহলরত এসআই নজরুল ইসলাম ভ্যানটি আটক করেন। এ সময় মাসুম পালিয়ে যায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, জব্দ করা মালামাল থানায় না পাঠিয়ে তিনি তা নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। পরে মাসুম আলী নিজেই তার কাছে গিয়ে চুরির বিষয়টি স্বীকার করে এবং সেখানে ১১ হাজার ৫০০ টাকায় ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে ফ্রিজটি বিক্রি করা হয় বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার মালামাল ফেরত চাইতে থানায় যায়। পরে স্থানীয়ভাবে সমঝোতার মাধ্যমে ফ্রিজটি ফেরত নেওয়া হয় বলে পরিবার জানায়।
মুনছের আলীর মা মর্জিনা বেগম বলেন, “পরে আমরা জানতে পারি ফ্রিজটি পুলিশের কাছে আছে। টাকা দিয়ে বাধ্য হয়ে আমাদেরই সেটি ফেরত নিতে হয়েছে।”
এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত এসআই নজরুল ইসলামকে থানায় পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, “একটি ফ্রিজ কেনার পর ফেরত দেওয়ার কথা শুনেছি। তবে সেটি চুরির মালামাল ছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নই। এ বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগও আসেনি।”
অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে, সিংড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাটি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। তবে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।
নাটোরের পুলিশ সুপার জানান, বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
নাটোরের সিংড়ায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চুরির ঘটনায় আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দিয়ে চুরি হওয়া মালামাল ব্যক্তিগতভাবে কেনার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
অভিযুক্ত এসআই মো. নজরুল ইসলাম সিংড়া থানায় কর্মরত।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে চাঁদপুর মহল্লার বাসিন্দা মুনছের আলীর বাসা থেকে তার ছোট ভাই মাসুম আলী একটি ফ্রিজসহ কিছু মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে। পরে রাতে ভ্যানে করে মালামাল নেওয়ার সময় নাটোর–বগুড়া মহাসড়কের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে টহলরত এসআই নজরুল ইসলাম ভ্যানটি আটক করেন। এ সময় মাসুম পালিয়ে যায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, জব্দ করা মালামাল থানায় না পাঠিয়ে তিনি তা নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। পরে মাসুম আলী নিজেই তার কাছে গিয়ে চুরির বিষয়টি স্বীকার করে এবং সেখানে ১১ হাজার ৫০০ টাকায় ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে ফ্রিজটি বিক্রি করা হয় বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার মালামাল ফেরত চাইতে থানায় যায়। পরে স্থানীয়ভাবে সমঝোতার মাধ্যমে ফ্রিজটি ফেরত নেওয়া হয় বলে পরিবার জানায়।
মুনছের আলীর মা মর্জিনা বেগম বলেন, “পরে আমরা জানতে পারি ফ্রিজটি পুলিশের কাছে আছে। টাকা দিয়ে বাধ্য হয়ে আমাদেরই সেটি ফেরত নিতে হয়েছে।”
এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত এসআই নজরুল ইসলামকে থানায় পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, “একটি ফ্রিজ কেনার পর ফেরত দেওয়ার কথা শুনেছি। তবে সেটি চুরির মালামাল ছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নই। এ বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগও আসেনি।”
অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে, সিংড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাটি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। তবে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।
নাটোরের পুলিশ সুপার জানান, বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন