পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উত্তরাঞ্চলের পথে ঘরমুখো মানুষের চাপ ক্রমেই বাড়ছে। তবে যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও সিরাজগঞ্জ অংশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের যানজট বা ধীরগতির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এতে স্বস্তিতে গন্তব্যে ফিরছেন ঈদযাত্রীরা। রোববার (২৪ মে) দুপুর পর্যন্ত যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়ক, হাটিকুমরুল গোলচত্বর এবং তাড়াশ হয়ে নাটোর সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, যানবাহনের সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। উত্তরবঙ্গগামী বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী ও ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপ থাকলেও কোথাও দীর্ঘ সময় যান চলাচল থেমে থাকার ঘটনা ঘটেনি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে নির্মাণাধীন হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বগুড়া–রংপুরমুখী ফ্লাইওভার লেন ২১ মে থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে। এই বিকল্প লেন চালুর ফলে হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যানবাহনের চাপ অনেকটাই কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক সরফরাজ হোসাইন জানান, নতুন লেনটি চালু হওয়ায় উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহন চলাচলে বাড়তি সুবিধা তৈরি হয়েছে এবং ঈদযাত্রা অনেকটা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে। এদিকে যমুনা সেতু সাইট অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৩ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্ত মিলিয়ে মোট ৩২ হাজার ৬৪৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা। আগের দিনের তুলনায় যানবাহন ও টোল উভয়ই কিছুটা কমেছে। যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, দুই প্রান্তেই যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঈদযাত্রা নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রাখতে সিরাজগঞ্জ জুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা পুলিশ। জেলার গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও সংযোগ সড়কে প্রায় ৮০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে। সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, যানজট নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা ও যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে মাঠে রয়েছে পুলিশ সদস্যরা। পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগসহ বগুড়া, পাবনা ও তাড়াশ–নাটোর রুটে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে, যাতে ঈদযাত্রায় কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয়। দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত ২২ জেলার সড়ক যোগাযোগের প্রধান এই করিডরে যানবাহনের চাপ বাড়লেও এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক গতি বজায় থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উত্তরাঞ্চলের পথে ঘরমুখো মানুষের চাপ ক্রমেই বাড়ছে। তবে যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও সিরাজগঞ্জ অংশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের যানজট বা ধীরগতির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এতে স্বস্তিতে গন্তব্যে ফিরছেন ঈদযাত্রীরা। রোববার (২৪ মে) দুপুর পর্যন্ত যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়ক, হাটিকুমরুল গোলচত্বর এবং তাড়াশ হয়ে নাটোর সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, যানবাহনের সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। উত্তরবঙ্গগামী বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী ও ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপ থাকলেও কোথাও দীর্ঘ সময় যান চলাচল থেমে থাকার ঘটনা ঘটেনি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে নির্মাণাধীন হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বগুড়া–রংপুরমুখী ফ্লাইওভার লেন ২১ মে থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে। এই বিকল্প লেন চালুর ফলে হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যানবাহনের চাপ অনেকটাই কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক সরফরাজ হোসাইন জানান, নতুন লেনটি চালু হওয়ায় উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহন চলাচলে বাড়তি সুবিধা তৈরি হয়েছে এবং ঈদযাত্রা অনেকটা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে। এদিকে যমুনা সেতু সাইট অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৩ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্ত মিলিয়ে মোট ৩২ হাজার ৬৪৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা। আগের দিনের তুলনায় যানবাহন ও টোল উভয়ই কিছুটা কমেছে। যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, দুই প্রান্তেই যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঈদযাত্রা নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রাখতে সিরাজগঞ্জ জুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা পুলিশ। জেলার গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও সংযোগ সড়কে প্রায় ৮০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে। সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, যানজট নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা ও যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে মাঠে রয়েছে পুলিশ সদস্যরা। পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগসহ বগুড়া, পাবনা ও তাড়াশ–নাটোর রুটে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে, যাতে ঈদযাত্রায় কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয়। দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত ২২ জেলার সড়ক যোগাযোগের প্রধান এই করিডরে যানবাহনের চাপ বাড়লেও এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক গতি বজায় থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন