পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশের কোয়েটায় আবারও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে সেনা সদস্যদের বহনকারী জাফর এক্সপ্রেস। রোববার চমন ফাটক এলাকার কাছে ট্রেনটিতে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ভয়াবহ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন বলে দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু যাত্রী।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, রেললাইনের পাশে আগে থেকেই পুঁতে রাখা বিস্ফোরক ডিভাইসের মাধ্যমে এই হামলা চালানো হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ট্রেনের কয়েকটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আশপাশের বাড়িঘর ও যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনার পরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে কেউ আটকে আছেন কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, ট্রেনটিতে বেশ কয়েকজন সেনা সদস্য ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। বিস্ফোরণের পর একটি বগিতে আগুন ধরে যায় এবং তা পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়।
এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) মজিদ ব্রিগেড। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাফর এক্সপ্রেস একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে, যার বেশির ভাগের পেছনেই বালোচ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
কোয়েটা থেকে পেশোয়ার রুটে চলাচলকারী এই ট্রেনটি এর আগেও বহুবার হামলা ও সহিংস ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে। নতুন এই ঘটনায় আবারও বালোচিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ল।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশের কোয়েটায় আবারও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে সেনা সদস্যদের বহনকারী জাফর এক্সপ্রেস। রোববার চমন ফাটক এলাকার কাছে ট্রেনটিতে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ভয়াবহ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন বলে দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু যাত্রী।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, রেললাইনের পাশে আগে থেকেই পুঁতে রাখা বিস্ফোরক ডিভাইসের মাধ্যমে এই হামলা চালানো হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ট্রেনের কয়েকটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আশপাশের বাড়িঘর ও যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনার পরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে কেউ আটকে আছেন কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, ট্রেনটিতে বেশ কয়েকজন সেনা সদস্য ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। বিস্ফোরণের পর একটি বগিতে আগুন ধরে যায় এবং তা পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়।
এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) মজিদ ব্রিগেড। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাফর এক্সপ্রেস একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে, যার বেশির ভাগের পেছনেই বালোচ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
কোয়েটা থেকে পেশোয়ার রুটে চলাচলকারী এই ট্রেনটি এর আগেও বহুবার হামলা ও সহিংস ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে। নতুন এই ঘটনায় আবারও বালোচিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ল।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন