ভারতের গুজরাট রাজ্যের মোরবিতে আর্থিক সংকটের সুযোগ নিয়ে এক নারী ও তার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে ধারাবাহিক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পরিবারের কর্তা, বাড়িওয়ালা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে বাবা ও বাড়িওয়ালাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারটি মূলত গুজরাটের সুরেন্দ্রনগর জেলার বাসিন্দা। জীবিকার সন্ধানে প্রায় ছয় মাস আগে তারা মোরবিতে এসে বসবাস শুরু করে। সেখানে মাসিক দুই হাজার রুপি ভাড়ায় একটি বাসা নেন তারা। তবে দীর্ঘদিন ধরে আয়-রোজগার অনিয়মিত থাকায় টানা চার মাসের ভাড়া বকেয়া পড়ে যায়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আর্থিক দুরবস্থার সুযোগ নেয় বাড়িওয়ালা। অভিযোগ রয়েছে, বকেয়া ভাড়া মওকুফের বিনিময়ে নিজের স্ত্রী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে যৌন নির্যাতনের জন্য বাড়িওয়ালার কাছে পাঠাতে সম্মতি দেন পরিবারের কর্তা। পরে বাড়িওয়ালা এবং তার এক সহযোগী একাধিকবার মা ও মেয়েকে ধর্ষণ করে।
ঘটনাটি সামনে আসে ভুক্তভোগী নারীর মায়ের মাধ্যমে। তিনি বিষয়টি জানতে পেরে মোরবি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইন (পকসো) ছাড়াও ধর্ষণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ধারায় মামলা নেয়।
মোরবির ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ জেএম লাল স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েটির বাবা ও বাড়িওয়ালা পরিকল্পিতভাবে এই নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত বাড়িওয়ালার এক সহযোগীও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মা ও মেয়ের শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তাদের মানসিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভারতে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রায়ই উদ্বেগ প্রকাশ করে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের নারীরা অর্থনৈতিক দুর্বলতার কারণে নানা ধরনের শোষণ ও সহিংসতার শিকার হন বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। এই ঘটনাও সেই বাস্তবতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
ভারতের গুজরাট রাজ্যের মোরবিতে আর্থিক সংকটের সুযোগ নিয়ে এক নারী ও তার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে ধারাবাহিক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পরিবারের কর্তা, বাড়িওয়ালা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে বাবা ও বাড়িওয়ালাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারটি মূলত গুজরাটের সুরেন্দ্রনগর জেলার বাসিন্দা। জীবিকার সন্ধানে প্রায় ছয় মাস আগে তারা মোরবিতে এসে বসবাস শুরু করে। সেখানে মাসিক দুই হাজার রুপি ভাড়ায় একটি বাসা নেন তারা। তবে দীর্ঘদিন ধরে আয়-রোজগার অনিয়মিত থাকায় টানা চার মাসের ভাড়া বকেয়া পড়ে যায়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আর্থিক দুরবস্থার সুযোগ নেয় বাড়িওয়ালা। অভিযোগ রয়েছে, বকেয়া ভাড়া মওকুফের বিনিময়ে নিজের স্ত্রী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে যৌন নির্যাতনের জন্য বাড়িওয়ালার কাছে পাঠাতে সম্মতি দেন পরিবারের কর্তা। পরে বাড়িওয়ালা এবং তার এক সহযোগী একাধিকবার মা ও মেয়েকে ধর্ষণ করে।
ঘটনাটি সামনে আসে ভুক্তভোগী নারীর মায়ের মাধ্যমে। তিনি বিষয়টি জানতে পেরে মোরবি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইন (পকসো) ছাড়াও ধর্ষণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ধারায় মামলা নেয়।
মোরবির ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ জেএম লাল স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েটির বাবা ও বাড়িওয়ালা পরিকল্পিতভাবে এই নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত বাড়িওয়ালার এক সহযোগীও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মা ও মেয়ের শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তাদের মানসিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভারতে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রায়ই উদ্বেগ প্রকাশ করে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের নারীরা অর্থনৈতিক দুর্বলতার কারণে নানা ধরনের শোষণ ও সহিংসতার শিকার হন বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। এই ঘটনাও সেই বাস্তবতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন