নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের এলাকায় সাইনবোর্ড মোড়ে দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের ফুটপাত ও আশপাশের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়ায় তীব্র জনদুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অভ্যন্তরীণ অনিয়মের কারণে বারবার অভিযোগ উঠলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই পয়েন্টে প্রতিদিন দূরপাল্লার বাস কাউন্টার, অস্থায়ী দোকান ও যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কারণে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস সময়গুলোতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে হাজারো যাত্রীকে দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ফুটপাত ও বাস কাউন্টার ঘিরে একটি প্রভাবশালী চক্র নিয়মিত অর্থ আদায় করছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নির্ধারিত অঙ্কের টাকা দিতে দেরি হলে চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
এদিকে সাইনবোর্ড এলাকায় শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ বক্সের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি অধিকাংশ সময়ই অচল অবস্থায় থাকে এবং কার্যকর নজরদারি দেখা যায় না। ফলে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি আরও জটিল হয়ে পড়েছে।
মহাসড়কের এই অংশটা ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হওয়ায় সারাদিনই যানবাহনের চাপ থাকে। কিন্তু ফুটপাত দখল ও অনিয়ন্ত্রিত বাস স্টপেজের কারণে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পথচারীরা বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে মূল সড়ক ব্যবহার করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং অভিযোগ থাকা অনিয়মের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা জরুরি। তা না হলে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথে দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের এলাকায় সাইনবোর্ড মোড়ে দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের ফুটপাত ও আশপাশের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়ায় তীব্র জনদুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অভ্যন্তরীণ অনিয়মের কারণে বারবার অভিযোগ উঠলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই পয়েন্টে প্রতিদিন দূরপাল্লার বাস কাউন্টার, অস্থায়ী দোকান ও যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কারণে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস সময়গুলোতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে হাজারো যাত্রীকে দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ফুটপাত ও বাস কাউন্টার ঘিরে একটি প্রভাবশালী চক্র নিয়মিত অর্থ আদায় করছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নির্ধারিত অঙ্কের টাকা দিতে দেরি হলে চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
এদিকে সাইনবোর্ড এলাকায় শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ বক্সের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি অধিকাংশ সময়ই অচল অবস্থায় থাকে এবং কার্যকর নজরদারি দেখা যায় না। ফলে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি আরও জটিল হয়ে পড়েছে।
মহাসড়কের এই অংশটা ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হওয়ায় সারাদিনই যানবাহনের চাপ থাকে। কিন্তু ফুটপাত দখল ও অনিয়ন্ত্রিত বাস স্টপেজের কারণে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পথচারীরা বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে মূল সড়ক ব্যবহার করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং অভিযোগ থাকা অনিয়মের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা জরুরি। তা না হলে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথে দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন