বৈশ্বিক এআই ডিভাইস ইকোসিস্টেমের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড অনার বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অত্যাধুনিক কারখানা উদ্বোধন করেছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি দেশের ভেতরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় উৎপাদন কার্যক্রমের সূচনা করল। এ কারখানার উদ্বোধনের মাধ্যমে অনার বাংলাদেশে তাদের পণ্য স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ নিল। এখানে সংযোজিত ডিভাইসগুলো খুব শিগগিরই ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেবেল নিয়ে দেশের বাজারে আসবে। অনার বৈশ্বিক এআই উদ্ভাবন ও স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতার সমন্বয়ে উৎপাদন উৎকর্ষের নতুন এক মানদণ্ড স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে এই কারখানা স্থাপন করেছে।
নিজেদের স্মার্ট ডিভাইসগুলোতে উন্নত এআই প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য বাজারে পরিচিতি রয়েছে অনারের, বাংলাদেশে উৎপাদনের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছে ব্র্যান্ডটি। কারখানায় যন্ত্রাংশ সংযোজনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোতে এআই প্রযুক্তিচালিত অটোমেশন ব্যবহার করা হয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে নির্ভুল ও কার্যকরী উৎপাদনশীলতা নিশ্চিত করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন। বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দের মধ্যে আরও ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, বিটিআরসি-এর পরিচালক মো. নূরন্নবী, এসইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি., বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া এবং স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। অনারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট জর্জ ঝেং এবং গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের প্রেসিডেন্ট ডেরিক ডেং। এছাড়াও ছিলেন বাংলাদেশে অনারের কান্ট্রি ম্যানেজার ল্যাং গুও, হেড অব বিজনেস আবদুল্লাহ আল মামুন ও ডেপুটি কান্ট্রি ম্যানেজার মুজাহিদুল ইসলাম।
প্রারম্ভিক পর্যায়ে কারখানাটি একটি প্রোডাকশন লাইন দিয়ে প্রতিদিন এক হাজার ৫০০ ইউনিট উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে পরিচালিত হবে। এছাড়াও, প্রথম বছরের মধ্যেই অনার চারটি প্রোডাকশন লাইন চালুর পরিকল্পনা করেছে, যা ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জানান, স্থানীয় চাহিদা মেটাতেই এই কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। তাঁর মতে, প্রাথমিক উৎপাদনক্ষমতা মাসিক ষাট হাজার ইউনিট, এবং চাহিদা বাড়লে তা আরও বৃদ্ধি করা হবে। ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "এই উদ্বোধনের মাধ্যমে স্মার্ট ও অনার বাংলাদেশে অর্থবহ কর্মসংস্থান তৈরির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা বাস্তবায়নের দিকে সত্যিকার অর্থেই একটি বড় পদক্ষেপ নিল।" তিনি আরও বলেন, এই কারখানা লাইনগুলো বাস্তবিক অর্থেই কর্মসংস্থানবান্ধব করে পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে দেশে উল্লেখযোগ্য দক্ষ জনবল তৈরি হবে, দক্ষতা-বিনিময়ের সুযোগ বাড়বে এবং এই শিল্পকে ঘিরে নতুন উদ্যোক্তারা ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড লিংকেজ তৈরিতে উৎসাহিত হবেন।
নীতিগত সংস্কার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, সরকার স্থানীয় মোবাইল/ স্মার্টফোন বাজারকে শক্তিশালী করতে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি বলেন, "আমরা শিগগিরই অবৈধ স্মার্টফোন আমদানি মোকাবিলায় ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)-এর কাজ শুরু করছি এবং শুল্ক কাঠামো সংস্কার করছি, যাতে স্থানীয় উৎপাদন আমদানির তুলনায় আরও আকর্ষণীয় হয়। এদিকে তৃতীয় ও চতুর্থ সাবমেরিন কেবল যুক্ত হওয়ায় ডেটার দামও কমে যাবে।" তিনি মনে করেন, ডিজিটাল গভর্নেন্স কাঠামো বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে এবং স্মার্টফোন ব্যবহারের হার বৃদ্ধি করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, "সঠিক প্রণোদনা থাকলে স্মার্টফোন ব্যবহার ৪০ শতাংশ থেকে ৭০ এমনকি ৮০ শতাংশেও পৌঁছাতে পারে।"
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট জর্জ ঝেং বাংলাদেশ নিয়ে অনারের লক্ষ্য তুলে ধরে বলেন, “এই কারখানা শুধুই একটি অবকাঠামো নয়। এটি অনার ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে এক অংশীদারিত্বের প্রতীক—যেখানে বৈশ্বিক দক্ষতা ও স্থানীয় সক্ষমতার সম্মিলন ঘটেছে।" স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, "নতুন স্থাপিত হওয়া কারখানা শুধুই একটি কারখানা বা ইটের স্থাপনা নয়; এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক। এটি প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং একক রপ্তানিমুখী শিল্পের ওপর নির্ভরতা কমাচ্ছে। ভবিষ্যতে বৈশ্বিক প্রযুক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বাংলাদেশের সক্ষমতারও প্রমাণ এটি।"
২০২৩ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে অনার। বর্তমানে ব্র্যান্ডটির দেশের বাজারে প্রায় ৩ শতাংশ বাজারহিস্যা রয়েছে, যা আগামী বছর ১০ শতাংশে পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করছে অনার। অনারের এই এআই প্রযুক্তিনির্ভর কারখানাটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার পাশাপাশি স্থানীয় কর্মীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রাখবে। দেশের মধ্যেই এমন একটি উদ্যোগ আমদানি নির্ভরতা কমাতে এবং বৈশ্বিক ইলেকট্রনিকস সাপ্লাই চেইনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতেও ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫
বৈশ্বিক এআই ডিভাইস ইকোসিস্টেমের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড অনার বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অত্যাধুনিক কারখানা উদ্বোধন করেছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি দেশের ভেতরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় উৎপাদন কার্যক্রমের সূচনা করল। এ কারখানার উদ্বোধনের মাধ্যমে অনার বাংলাদেশে তাদের পণ্য স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ নিল। এখানে সংযোজিত ডিভাইসগুলো খুব শিগগিরই ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেবেল নিয়ে দেশের বাজারে আসবে। অনার বৈশ্বিক এআই উদ্ভাবন ও স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতার সমন্বয়ে উৎপাদন উৎকর্ষের নতুন এক মানদণ্ড স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে এই কারখানা স্থাপন করেছে।
নিজেদের স্মার্ট ডিভাইসগুলোতে উন্নত এআই প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য বাজারে পরিচিতি রয়েছে অনারের, বাংলাদেশে উৎপাদনের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছে ব্র্যান্ডটি। কারখানায় যন্ত্রাংশ সংযোজনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোতে এআই প্রযুক্তিচালিত অটোমেশন ব্যবহার করা হয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে নির্ভুল ও কার্যকরী উৎপাদনশীলতা নিশ্চিত করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন। বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দের মধ্যে আরও ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, বিটিআরসি-এর পরিচালক মো. নূরন্নবী, এসইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি., বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া এবং স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। অনারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট জর্জ ঝেং এবং গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের প্রেসিডেন্ট ডেরিক ডেং। এছাড়াও ছিলেন বাংলাদেশে অনারের কান্ট্রি ম্যানেজার ল্যাং গুও, হেড অব বিজনেস আবদুল্লাহ আল মামুন ও ডেপুটি কান্ট্রি ম্যানেজার মুজাহিদুল ইসলাম।
প্রারম্ভিক পর্যায়ে কারখানাটি একটি প্রোডাকশন লাইন দিয়ে প্রতিদিন এক হাজার ৫০০ ইউনিট উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে পরিচালিত হবে। এছাড়াও, প্রথম বছরের মধ্যেই অনার চারটি প্রোডাকশন লাইন চালুর পরিকল্পনা করেছে, যা ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জানান, স্থানীয় চাহিদা মেটাতেই এই কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। তাঁর মতে, প্রাথমিক উৎপাদনক্ষমতা মাসিক ষাট হাজার ইউনিট, এবং চাহিদা বাড়লে তা আরও বৃদ্ধি করা হবে। ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "এই উদ্বোধনের মাধ্যমে স্মার্ট ও অনার বাংলাদেশে অর্থবহ কর্মসংস্থান তৈরির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা বাস্তবায়নের দিকে সত্যিকার অর্থেই একটি বড় পদক্ষেপ নিল।" তিনি আরও বলেন, এই কারখানা লাইনগুলো বাস্তবিক অর্থেই কর্মসংস্থানবান্ধব করে পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে দেশে উল্লেখযোগ্য দক্ষ জনবল তৈরি হবে, দক্ষতা-বিনিময়ের সুযোগ বাড়বে এবং এই শিল্পকে ঘিরে নতুন উদ্যোক্তারা ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড লিংকেজ তৈরিতে উৎসাহিত হবেন।
নীতিগত সংস্কার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, সরকার স্থানীয় মোবাইল/ স্মার্টফোন বাজারকে শক্তিশালী করতে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি বলেন, "আমরা শিগগিরই অবৈধ স্মার্টফোন আমদানি মোকাবিলায় ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)-এর কাজ শুরু করছি এবং শুল্ক কাঠামো সংস্কার করছি, যাতে স্থানীয় উৎপাদন আমদানির তুলনায় আরও আকর্ষণীয় হয়। এদিকে তৃতীয় ও চতুর্থ সাবমেরিন কেবল যুক্ত হওয়ায় ডেটার দামও কমে যাবে।" তিনি মনে করেন, ডিজিটাল গভর্নেন্স কাঠামো বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে এবং স্মার্টফোন ব্যবহারের হার বৃদ্ধি করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, "সঠিক প্রণোদনা থাকলে স্মার্টফোন ব্যবহার ৪০ শতাংশ থেকে ৭০ এমনকি ৮০ শতাংশেও পৌঁছাতে পারে।"
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট জর্জ ঝেং বাংলাদেশ নিয়ে অনারের লক্ষ্য তুলে ধরে বলেন, “এই কারখানা শুধুই একটি অবকাঠামো নয়। এটি অনার ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে এক অংশীদারিত্বের প্রতীক—যেখানে বৈশ্বিক দক্ষতা ও স্থানীয় সক্ষমতার সম্মিলন ঘটেছে।" স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, "নতুন স্থাপিত হওয়া কারখানা শুধুই একটি কারখানা বা ইটের স্থাপনা নয়; এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক। এটি প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং একক রপ্তানিমুখী শিল্পের ওপর নির্ভরতা কমাচ্ছে। ভবিষ্যতে বৈশ্বিক প্রযুক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বাংলাদেশের সক্ষমতারও প্রমাণ এটি।"
২০২৩ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে অনার। বর্তমানে ব্র্যান্ডটির দেশের বাজারে প্রায় ৩ শতাংশ বাজারহিস্যা রয়েছে, যা আগামী বছর ১০ শতাংশে পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করছে অনার। অনারের এই এআই প্রযুক্তিনির্ভর কারখানাটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার পাশাপাশি স্থানীয় কর্মীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রাখবে। দেশের মধ্যেই এমন একটি উদ্যোগ আমদানি নির্ভরতা কমাতে এবং বৈশ্বিক ইলেকট্রনিকস সাপ্লাই চেইনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতেও ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন