নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। গত ১০ মে ২০২৬ সন্ধ্যায় উপজেলার পবনডাঙ্গা গ্রামে এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরদিন (১১ মে) ভুক্তভোগী মো. আব্দুল আলিম বাদী হয়ে আত্রাই থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, পবনডাঙ্গা গ্রামের মো. দুলাল হোসেনের বাড়ির সামনে হেরিং রাস্তার ওপর ধান মাড়াইয়ের মেশিন সরানোকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনার জেরে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মো. রাকিব হোসেন (২৫)-এর পথরোধ করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
এক পর্যায়ে রাকিব হোসেন প্রতিবাদ করলে হামলাকারীরা বাঁশের লাঠি ও গাছের ডাল দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে মো. সাদেক হোসেন (৫০), মো. সোহাগ হোসেন (২২) ও মো. মিজানুর রহমান (৫২)-কেও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়।
হামলায় সাদেক হোসেনের বাম হাত ভেঙে যায় বলে জানা গেছে। এ ছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মিজানুর রহমানের পকেট থেকে হামলার সময় ২৯ হাজার ২৭০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- মো. শহিদুল ইসলাম (৫২), মো. ইব্রাহিম প্রাং (১৮), মো. নুর ইসলাম ওরফে বাবু (৩৪), মোছা. ইস্তাফা বিবি (৪৫), মো. আতাউর রহমান (৩৩), মো. ফেরদৌস প্রাং (৫৮), মোছা. সুখি বিবি (৩০) এবং মো. মঞ্জু হোসেন (৪০)।
আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল করিম বলেন, “ঘটনার পর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুলিশ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।”
স্থানীয়দের দাবি, তুচ্ছ ঘটনায় এমন সহিংসতা ভবিষ্যতে এড়াতে প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। গত ১০ মে ২০২৬ সন্ধ্যায় উপজেলার পবনডাঙ্গা গ্রামে এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরদিন (১১ মে) ভুক্তভোগী মো. আব্দুল আলিম বাদী হয়ে আত্রাই থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, পবনডাঙ্গা গ্রামের মো. দুলাল হোসেনের বাড়ির সামনে হেরিং রাস্তার ওপর ধান মাড়াইয়ের মেশিন সরানোকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনার জেরে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মো. রাকিব হোসেন (২৫)-এর পথরোধ করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
এক পর্যায়ে রাকিব হোসেন প্রতিবাদ করলে হামলাকারীরা বাঁশের লাঠি ও গাছের ডাল দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে মো. সাদেক হোসেন (৫০), মো. সোহাগ হোসেন (২২) ও মো. মিজানুর রহমান (৫২)-কেও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়।
হামলায় সাদেক হোসেনের বাম হাত ভেঙে যায় বলে জানা গেছে। এ ছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মিজানুর রহমানের পকেট থেকে হামলার সময় ২৯ হাজার ২৭০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- মো. শহিদুল ইসলাম (৫২), মো. ইব্রাহিম প্রাং (১৮), মো. নুর ইসলাম ওরফে বাবু (৩৪), মোছা. ইস্তাফা বিবি (৪৫), মো. আতাউর রহমান (৩৩), মো. ফেরদৌস প্রাং (৫৮), মোছা. সুখি বিবি (৩০) এবং মো. মঞ্জু হোসেন (৪০)।
আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল করিম বলেন, “ঘটনার পর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুলিশ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।”
স্থানীয়দের দাবি, তুচ্ছ ঘটনায় এমন সহিংসতা ভবিষ্যতে এড়াতে প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন