নাটোরের লালপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার চেষ্টা করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছেন এক ব্যক্তি। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আরবাব ইউনিয়নের অমৃতপাড়া গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১০ মে) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে লালপুর থানার পুরাতন ঈশ্বরদী গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে মো. কাজল হোসেন (৪৫) অমৃতপাড়া গ্রামের মৃত শফিকুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. রেবেকা বেগমের বাড়িতে যান। সেখানে তিনি নিজেকে সরকারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং বিভিন্ন সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার চেষ্টা করেন।
তার কথাবার্তা ও আচরণে সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তার পরিচয় ও কর্মকাণ্ড নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়লে স্থানীয়রা তাকে আটক করে লালপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবীর হোসেন। তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মো. কাজল হোসেনকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবীর হোসেন বলেন, সরকারি কোনো সেবা, ভাতা বা কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে কেউ টাকা দাবি করলে বা সন্দেহজনক আচরণ করলে দ্রুত প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। সাধারণ মানুষের সরলতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণা করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী প্রশাসনের এমন দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
নাটোরের লালপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার চেষ্টা করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছেন এক ব্যক্তি। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আরবাব ইউনিয়নের অমৃতপাড়া গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১০ মে) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে লালপুর থানার পুরাতন ঈশ্বরদী গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে মো. কাজল হোসেন (৪৫) অমৃতপাড়া গ্রামের মৃত শফিকুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. রেবেকা বেগমের বাড়িতে যান। সেখানে তিনি নিজেকে সরকারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং বিভিন্ন সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার চেষ্টা করেন।
তার কথাবার্তা ও আচরণে সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তার পরিচয় ও কর্মকাণ্ড নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়লে স্থানীয়রা তাকে আটক করে লালপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবীর হোসেন। তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মো. কাজল হোসেনকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবীর হোসেন বলেন, সরকারি কোনো সেবা, ভাতা বা কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে কেউ টাকা দাবি করলে বা সন্দেহজনক আচরণ করলে দ্রুত প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। সাধারণ মানুষের সরলতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণা করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী প্রশাসনের এমন দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন