ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত পরোটা বিক্রেতা রাজু হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ট্রেনের ভেতরে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনা এবং জোরপূর্বক ধর্মীয় স্লোগান দিতে বাধ্য করার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল যুবক ট্রেনের ভেতরে রাজুকে ঘিরে ধরে টানাহেঁচড়া করছে। এক পর্যায়ে তার জামা ছিঁড়ে যায় এবং পরে তাকে ট্রেন থেকে নামিয়ে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয়। ঘটনার সময় রাজুকে আতঙ্কিত অবস্থায় দেখা গেছে।
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও পোস্টে দাবি করা হয়, রাজু একটি মন্দিরের কাছে বসে খাবার খাওয়ার সময় এবং রাজনৈতিক মত প্রকাশকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মুখে পড়েন। একই সঙ্গে তাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান না দেওয়ার কারণে লক্ষ্যবস্তু করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।
তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, আগে ধারণ করা আরেকটি ভিডিওতে রাজু কোনো রাজনৈতিক স্লোগান দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার কথা বলেন। পরে অন্য একজনের প্রভাবে তিনি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়।
আরও একটি ভিডিওতে রাজু জানান, তিনি সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পছন্দ করেন। এই মত প্রকাশের পর থেকেই তিনি হুমকি ও চাপের মুখে পড়েন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ মানুষ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও নিন্দা ছড়িয়ে পড়েছে। একজন সাধারণ হকারকে এভাবে হেনস্তা করার ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত পরোটা বিক্রেতা রাজু হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ট্রেনের ভেতরে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনা এবং জোরপূর্বক ধর্মীয় স্লোগান দিতে বাধ্য করার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল যুবক ট্রেনের ভেতরে রাজুকে ঘিরে ধরে টানাহেঁচড়া করছে। এক পর্যায়ে তার জামা ছিঁড়ে যায় এবং পরে তাকে ট্রেন থেকে নামিয়ে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয়। ঘটনার সময় রাজুকে আতঙ্কিত অবস্থায় দেখা গেছে।
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও পোস্টে দাবি করা হয়, রাজু একটি মন্দিরের কাছে বসে খাবার খাওয়ার সময় এবং রাজনৈতিক মত প্রকাশকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মুখে পড়েন। একই সঙ্গে তাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান না দেওয়ার কারণে লক্ষ্যবস্তু করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।
তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, আগে ধারণ করা আরেকটি ভিডিওতে রাজু কোনো রাজনৈতিক স্লোগান দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার কথা বলেন। পরে অন্য একজনের প্রভাবে তিনি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়।
আরও একটি ভিডিওতে রাজু জানান, তিনি সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পছন্দ করেন। এই মত প্রকাশের পর থেকেই তিনি হুমকি ও চাপের মুখে পড়েন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ মানুষ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও নিন্দা ছড়িয়ে পড়েছে। একজন সাধারণ হকারকে এভাবে হেনস্তা করার ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন