ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা পৌরসভার বাস্তোর খোলা এলাকায় ভ্যান উল্টে কোহিনুর বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত কোহিনুর বেগম স্থানীয় ইব্রাহিমের স্ত্রী। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৯ মে) বিকেলে কোহিনুর বেগম তার মেয়েকে ডাক্তার দেখিয়ে ভ্যানযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছালে গ্রাম্য সড়কের ওপর হঠাৎ কয়েকটি কুকুর দৌড়ে চলে আসে। এ সময় একটি কুকুর ভ্যানের নিচে পড়ে গেলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তের মধ্যেই ভ্যানটি উল্টে যায় এবং যাত্রীরা সড়কে ছিটকে পড়েন।
দুর্ঘটনায় কোহিনুর বেগম গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখতে পেয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঢাকায় নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই কোহিনুর বেগম মারা যান। তার মৃত্যু সংবাদ এলাকায় পৌঁছালে স্বজনদের মাঝে কান্নার রোল পড়ে যায়। প্রতিবেশী ও স্থানীয়রাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, গ্রাম্য সড়কগুলোতে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তারা এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে কোহিনুর বেগমের অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা পৌরসভার বাস্তোর খোলা এলাকায় ভ্যান উল্টে কোহিনুর বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত কোহিনুর বেগম স্থানীয় ইব্রাহিমের স্ত্রী। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৯ মে) বিকেলে কোহিনুর বেগম তার মেয়েকে ডাক্তার দেখিয়ে ভ্যানযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছালে গ্রাম্য সড়কের ওপর হঠাৎ কয়েকটি কুকুর দৌড়ে চলে আসে। এ সময় একটি কুকুর ভ্যানের নিচে পড়ে গেলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তের মধ্যেই ভ্যানটি উল্টে যায় এবং যাত্রীরা সড়কে ছিটকে পড়েন।
দুর্ঘটনায় কোহিনুর বেগম গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখতে পেয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঢাকায় নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই কোহিনুর বেগম মারা যান। তার মৃত্যু সংবাদ এলাকায় পৌঁছালে স্বজনদের মাঝে কান্নার রোল পড়ে যায়। প্রতিবেশী ও স্থানীয়রাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, গ্রাম্য সড়কগুলোতে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তারা এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে কোহিনুর বেগমের অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন