যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কাঠামোগত আলোচনার জন্য এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক চূড়ান্তের কাছাকাছি পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের একটি সূত্র এবং আলোচনাপ্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্র রয়টার্সকে জানায়, দুই পক্ষ প্রস্তাবিত ১৪ দফার একটি সংক্ষিপ্ত সমঝোতা কাঠামোর বিষয়ে নীতিগতভাবে কাছাকাছি এসেছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমানোর পথ তৈরি হতে পারে।
সূত্র অনুযায়ী, প্রাথমিক সমঝোতায় যুদ্ধবিরতির কাঠামো নির্ধারণের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমিত নিয়ন্ত্রণ আরোপ নিয়ে পরবর্তী ধাপে আলোচনা করার প্রস্তাব রয়েছে।
প্রস্তাবিত রূপরেখায় বলা হয়েছে, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং জব্দকৃত ইরানি অর্থ ছাড় দিতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, পূর্বের কিছু শর্ত বাস্তবায়ন হলে সংঘাত নিরসনের সুযোগ তৈরি হতে পারে, তবে তিনি নির্দিষ্ট প্রস্তাবের বিস্তারিত জানাননি।
সূত্রগুলো আরও জানায়, প্রাথমিক চুক্তি হলে পরবর্তী ধাপে ৩০ দিনের বিস্তারিত আলোচনা শুরু হতে পারে, যেখানে পূর্ণাঙ্গ চুক্তির রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এবং ইরানি কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কাঠামোগত আলোচনার জন্য এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক চূড়ান্তের কাছাকাছি পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের একটি সূত্র এবং আলোচনাপ্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্র রয়টার্সকে জানায়, দুই পক্ষ প্রস্তাবিত ১৪ দফার একটি সংক্ষিপ্ত সমঝোতা কাঠামোর বিষয়ে নীতিগতভাবে কাছাকাছি এসেছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমানোর পথ তৈরি হতে পারে।
সূত্র অনুযায়ী, প্রাথমিক সমঝোতায় যুদ্ধবিরতির কাঠামো নির্ধারণের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমিত নিয়ন্ত্রণ আরোপ নিয়ে পরবর্তী ধাপে আলোচনা করার প্রস্তাব রয়েছে।
প্রস্তাবিত রূপরেখায় বলা হয়েছে, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং জব্দকৃত ইরানি অর্থ ছাড় দিতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, পূর্বের কিছু শর্ত বাস্তবায়ন হলে সংঘাত নিরসনের সুযোগ তৈরি হতে পারে, তবে তিনি নির্দিষ্ট প্রস্তাবের বিস্তারিত জানাননি।
সূত্রগুলো আরও জানায়, প্রাথমিক চুক্তি হলে পরবর্তী ধাপে ৩০ দিনের বিস্তারিত আলোচনা শুরু হতে পারে, যেখানে পূর্ণাঙ্গ চুক্তির রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এবং ইরানি কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।

আপনার মতামত লিখুন