ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ভারতে ‘ডাকাত বধূ’র প্রতারণা ফাঁস: ৮ স্বামীকে লুটে ৯ম বিয়েতে ধরা


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬

ভারতে ‘ডাকাত বধূ’র প্রতারণা ফাঁস: ৮ স্বামীকে লুটে ৯ম বিয়েতে ধরা

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত একটি প্রতারণা চক্রের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এতে এক নারী—যিনি ‘ডাকাত বধূ’ নামে পরিচিত—একাধিক পুরুষকে বিয়ের ফাঁদে ফেলে তাদের কাছ থেকে অর্থ ও মূল্যবান সম্পদ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিবেদনে জানা যায়, ওই নারী পর্যায়ক্রমে অন্তত আটজন পুরুষকে বিয়ে করে প্রতারণার মাধ্যমে তাদের সম্পদ লুট করেছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি বীড জেলার উমাপুর গ্রামের এক ব্যক্তিকে নবম শিকার হিসেবে টার্গেট করেন। তবে এই ঘটনার পরই পুরো চক্রের কার্যক্রম প্রকাশ্যে আসে।

পুলিশ সূত্রে বলা হয়, প্রতারক চক্রটি পরিকল্পিতভাবে ঘটকের মাধ্যমে সম্ভাব্য স্বামীদের খুঁজে বের করত। এরপর বিয়ের আয়োজন করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার পরপরই তারা গা-ঢাকা দিত। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পরপরই নগদ অর্থ, গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যেত এই চক্রের সদস্যরা।

নবম বিয়ের ঘটনায় সন্দেহ তৈরি হলে ভুক্তভোগী বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেন। এরপর ধীরে ধীরে আগের আটটি একই ধরনের প্রতারণার ঘটনা সামনে আসে। এতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ভারতে ‘ডাকাত বধূ’র প্রতারণা ফাঁস: ৮ স্বামীকে লুটে ৯ম বিয়েতে ধরা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত একটি প্রতারণা চক্রের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এতে এক নারী—যিনি ‘ডাকাত বধূ’ নামে পরিচিত—একাধিক পুরুষকে বিয়ের ফাঁদে ফেলে তাদের কাছ থেকে অর্থ ও মূল্যবান সম্পদ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিবেদনে জানা যায়, ওই নারী পর্যায়ক্রমে অন্তত আটজন পুরুষকে বিয়ে করে প্রতারণার মাধ্যমে তাদের সম্পদ লুট করেছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি বীড জেলার উমাপুর গ্রামের এক ব্যক্তিকে নবম শিকার হিসেবে টার্গেট করেন। তবে এই ঘটনার পরই পুরো চক্রের কার্যক্রম প্রকাশ্যে আসে।

পুলিশ সূত্রে বলা হয়, প্রতারক চক্রটি পরিকল্পিতভাবে ঘটকের মাধ্যমে সম্ভাব্য স্বামীদের খুঁজে বের করত। এরপর বিয়ের আয়োজন করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার পরপরই তারা গা-ঢাকা দিত। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পরপরই নগদ অর্থ, গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যেত এই চক্রের সদস্যরা।

নবম বিয়ের ঘটনায় সন্দেহ তৈরি হলে ভুক্তভোগী বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেন। এরপর ধীরে ধীরে আগের আটটি একই ধরনের প্রতারণার ঘটনা সামনে আসে। এতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ