ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে আজ দুপুরে মাদক মামলার দুই আসামির পালানোর চেষ্টাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দুপুর আড়াইটার দিকে আদালতে হাজির হওয়ার আগমুহূর্তে দুই আসামি— শাহিন ও সজল—হঠাৎ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যে শাহিন হাতকড়াসহ পুলিশের নজর এড়িয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, আর সজলকে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।
পুলিশ জানায়, গতকাল বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কানাইনগর গ্রামে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪ কেজি গাঁজাসহ শাহিন ও সজলকে আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আজ আদালতে হাজির করতে আনা হয়েছিল। তবে আদালত চত্বরে পৌঁছানোর পরই তারা সুযোগ বুঝে পালানোর চেষ্টা করে।
ঘটনার পর আদালতপাড়ায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পলাতক আসামি শাহিনকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান শুরু করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। আদালত এলাকায় এমন নিরাপত্তা ভঙ্গের ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে এবং ভবিষ্যতে নজরদারি আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
ঘটনার সময় উপস্থিত লোকজনের দ্রুত পদক্ষেপে কমপক্ষে একজন আসামিকে পুনরায় আটক করা সম্ভব হওয়ায় পুলিশ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এদিকে পলাতক আসামিকে দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে আজ দুপুরে মাদক মামলার দুই আসামির পালানোর চেষ্টাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দুপুর আড়াইটার দিকে আদালতে হাজির হওয়ার আগমুহূর্তে দুই আসামি— শাহিন ও সজল—হঠাৎ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যে শাহিন হাতকড়াসহ পুলিশের নজর এড়িয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, আর সজলকে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।
পুলিশ জানায়, গতকাল বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কানাইনগর গ্রামে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪ কেজি গাঁজাসহ শাহিন ও সজলকে আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আজ আদালতে হাজির করতে আনা হয়েছিল। তবে আদালত চত্বরে পৌঁছানোর পরই তারা সুযোগ বুঝে পালানোর চেষ্টা করে।
ঘটনার পর আদালতপাড়ায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পলাতক আসামি শাহিনকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান শুরু করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। আদালত এলাকায় এমন নিরাপত্তা ভঙ্গের ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে এবং ভবিষ্যতে নজরদারি আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
ঘটনার সময় উপস্থিত লোকজনের দ্রুত পদক্ষেপে কমপক্ষে একজন আসামিকে পুনরায় আটক করা সম্ভব হওয়ায় পুলিশ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এদিকে পলাতক আসামিকে দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন