সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলা থেকে আবারও ফুটবলে এসেছে নতুন সম্ভাবনার খবর। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন) আয়োজিত অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দল গঠনের বাছাই প্রক্রিয়ায় ‘ইয়েস কার্ড’ পেয়ে আলোচনায় এসেছেন তরুণ ফুটবলার সাঈদ খান।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৩০ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে টানা ৮ দিনব্যাপী ক্যাম্পে চলে নিবিড় অনুশীলন ও পারফরম্যান্স মূল্যায়ন। সেখান থেকে চূড়ান্তভাবে ৩৬ জন খেলোয়াড়কে ‘ইয়েস কার্ড’ প্রদান করা হয়, যা পরবর্তী ধাপে জাতীয় দলের সম্ভাব্য তালিকায় অগ্রসর হওয়ার সুযোগ হিসেবে বিবেচিত।
এই তালিকায় বিশ্বনাথ উপজেলার একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন সাঈদ খান। তিনি বিশ্বনাথ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জাহারগাঁও গ্রামের ফরমান খান সাহেবের কনিষ্ঠ পুত্র। স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠন বিশ্বনাথ স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট ইউকে-এর সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুটবলে অনুশীলন করে আসছেন।
ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি আগ্রহী সাঈদ স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিশেষ করে বাফুফে অনূর্ধ্ব-১৫ একাডেমি কাপে সিলেট পর্বে তার দল শিরোপা জিতলে তিনি নিয়মিত খেলোয়াড় হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তার এই অর্জনকে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন অনেকে। স্থানীয় কোচ ও ক্রীড়া সংগঠকরা মনে করছেন, এমন সুযোগ তরুণ খেলোয়াড়দের জাতীয় পর্যায়ে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দেবে এবং ভবিষ্যতে দেশের ফুটবলের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে।
বাফুফের এই বাছাই কার্যক্রমের মাধ্যমে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলের জন্য সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সাঈদ খানের মতো তরুণদের অন্তর্ভুক্তি দেশের ফুটবলে নতুন প্রতিভা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলা থেকে আবারও ফুটবলে এসেছে নতুন সম্ভাবনার খবর। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন) আয়োজিত অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দল গঠনের বাছাই প্রক্রিয়ায় ‘ইয়েস কার্ড’ পেয়ে আলোচনায় এসেছেন তরুণ ফুটবলার সাঈদ খান।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৩০ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে টানা ৮ দিনব্যাপী ক্যাম্পে চলে নিবিড় অনুশীলন ও পারফরম্যান্স মূল্যায়ন। সেখান থেকে চূড়ান্তভাবে ৩৬ জন খেলোয়াড়কে ‘ইয়েস কার্ড’ প্রদান করা হয়, যা পরবর্তী ধাপে জাতীয় দলের সম্ভাব্য তালিকায় অগ্রসর হওয়ার সুযোগ হিসেবে বিবেচিত।
এই তালিকায় বিশ্বনাথ উপজেলার একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন সাঈদ খান। তিনি বিশ্বনাথ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জাহারগাঁও গ্রামের ফরমান খান সাহেবের কনিষ্ঠ পুত্র। স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠন বিশ্বনাথ স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট ইউকে-এর সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুটবলে অনুশীলন করে আসছেন।
ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি আগ্রহী সাঈদ স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিশেষ করে বাফুফে অনূর্ধ্ব-১৫ একাডেমি কাপে সিলেট পর্বে তার দল শিরোপা জিতলে তিনি নিয়মিত খেলোয়াড় হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তার এই অর্জনকে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন অনেকে। স্থানীয় কোচ ও ক্রীড়া সংগঠকরা মনে করছেন, এমন সুযোগ তরুণ খেলোয়াড়দের জাতীয় পর্যায়ে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দেবে এবং ভবিষ্যতে দেশের ফুটবলের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে।
বাফুফের এই বাছাই কার্যক্রমের মাধ্যমে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলের জন্য সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সাঈদ খানের মতো তরুণদের অন্তর্ভুক্তি দেশের ফুটবলে নতুন প্রতিভা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন