নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলা-এর লক্ষীপাশা ইউনিয়নের ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগকারী জাহিদের দাবি, তিনি লোহাগড়া মৌজার একটি জমির কাগজপত্র সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শেখ মোতালেব হোসেনের কাছে যান। সেখানে তাকে জানানো হয়, কাজ সম্পন্ন করতে হলে আদালত থেকে নতুন একটি ডিগ্রি সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তীতে তিনি সেই ডিগ্রি সংগ্রহ করে জমা দেন।
এরপর, অভিযোগ অনুযায়ী, ওই কর্মকর্তা কাজটি সম্পন্ন করার জন্য তার কাছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। জাহিদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি প্রথমে ৩ হাজার টাকা দেন এবং পরে দুই দফায় ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা প্রদান করেন। তবে টাকা দেওয়ার পরও তার জমির কাগজপত্র সংশোধন হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী জাহিদ দাবি করেন, ঘটনার প্রমাণ হিসেবে তিনি গোপনে অর্থ লেনদেনের একটি ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরাল হয়।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শেখ মোতালেব হোসেন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সরকারি ভূমি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হতে থাকবে।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহল বিষয়টির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ চেয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সব মিলিয়ে ঘটনাটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সেবা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, যা এখন তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছে।
শেষ কথা: ঘটনাটি প্রমাণিত হলে এটি জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির একটি গুরুতর উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। তাই স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলা-এর লক্ষীপাশা ইউনিয়নের ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগকারী জাহিদের দাবি, তিনি লোহাগড়া মৌজার একটি জমির কাগজপত্র সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শেখ মোতালেব হোসেনের কাছে যান। সেখানে তাকে জানানো হয়, কাজ সম্পন্ন করতে হলে আদালত থেকে নতুন একটি ডিগ্রি সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তীতে তিনি সেই ডিগ্রি সংগ্রহ করে জমা দেন।
এরপর, অভিযোগ অনুযায়ী, ওই কর্মকর্তা কাজটি সম্পন্ন করার জন্য তার কাছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। জাহিদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি প্রথমে ৩ হাজার টাকা দেন এবং পরে দুই দফায় ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা প্রদান করেন। তবে টাকা দেওয়ার পরও তার জমির কাগজপত্র সংশোধন হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী জাহিদ দাবি করেন, ঘটনার প্রমাণ হিসেবে তিনি গোপনে অর্থ লেনদেনের একটি ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরাল হয়।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শেখ মোতালেব হোসেন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সরকারি ভূমি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হতে থাকবে।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহল বিষয়টির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ চেয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সব মিলিয়ে ঘটনাটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সেবা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, যা এখন তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছে।
শেষ কথা: ঘটনাটি প্রমাণিত হলে এটি জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির একটি গুরুতর উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। তাই স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন