পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা-এ ছাত্রদল নেতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ইমরান হোসেন সোহাগ (২৭) হত্যার এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত ২ এপ্রিল রাতে সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ ও উদ্বেগ।
নিহত সোহাগ ঈশ্বরদী শহরের সাঁড়া গোপালপুর গ্রামের মন্নবীপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইমানুল প্রামাণিকের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের উপজেলা শাখার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন বলে জানা গেছে।
হত্যাকাণ্ডের চার দিন পর নিহতের বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানা-য় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়। বর্তমানে মামলাটির তদন্তভার রয়েছে পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)-এর হাতে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে ওইদিন রাত পৌনে ১০টার দিকে সাঁড়া গোপালপুর স্কুল মাঠের পেছনে রেললাইনের পাশে সোহাগকে লক্ষ্য করে হেলমেট পরিহিত একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পাশের একটি চায়ের দোকানের গলিতে ঢুকলেও হামলাকারীরা তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে। পরে মাথা, কপাল, বুকে ও গলায় একাধিক গুলি করে নিশ্চিত মৃত্যু ঘটিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
নিহতের বাবা ইমানুল প্রামাণিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রকাশ্যে তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করা হলেও এক মাস পার হয়ে গেলেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, মামলাটির তদন্তভার ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যদিকে ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, তদন্তভার পাওয়ার পর থেকেই গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুত অগ্রগতি জানানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এক মাসেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তারা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা-এ ছাত্রদল নেতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ইমরান হোসেন সোহাগ (২৭) হত্যার এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত ২ এপ্রিল রাতে সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ ও উদ্বেগ।
নিহত সোহাগ ঈশ্বরদী শহরের সাঁড়া গোপালপুর গ্রামের মন্নবীপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইমানুল প্রামাণিকের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের উপজেলা শাখার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন বলে জানা গেছে।
হত্যাকাণ্ডের চার দিন পর নিহতের বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানা-য় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়। বর্তমানে মামলাটির তদন্তভার রয়েছে পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)-এর হাতে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে ওইদিন রাত পৌনে ১০টার দিকে সাঁড়া গোপালপুর স্কুল মাঠের পেছনে রেললাইনের পাশে সোহাগকে লক্ষ্য করে হেলমেট পরিহিত একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পাশের একটি চায়ের দোকানের গলিতে ঢুকলেও হামলাকারীরা তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে। পরে মাথা, কপাল, বুকে ও গলায় একাধিক গুলি করে নিশ্চিত মৃত্যু ঘটিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
নিহতের বাবা ইমানুল প্রামাণিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রকাশ্যে তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করা হলেও এক মাস পার হয়ে গেলেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, মামলাটির তদন্তভার ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যদিকে ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, তদন্তভার পাওয়ার পর থেকেই গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুত অগ্রগতি জানানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এক মাসেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তারা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন