শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার মনোহর বাজার মোড় এলাকায় শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার সুদীপ্ত ঘোষের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী শব্দ দূষণের দায়ে দুটি যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় মোট ১,৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং তিনটি অবৈধ হর্ণ জব্দ করা হয়।
অভিযানে শরীয়তপুর জেলা পুলিশ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম অংশ নেয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ রাসেল নোমান প্রসিকিউশন প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, অতিরিক্ত শব্দ বিশেষ করে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারের কারণে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাই এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযান চলাকালে যানবাহনের চালকদের সতর্ক করা হয় এবং শব্দ দূষণের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুধু যানবাহনই নয়, জেলার বিভিন্ন দূষণকারী কারখানা ও প্রকল্পের বিরুদ্ধেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে পরিবেশ রক্ষায় তাদের এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার মনোহর বাজার মোড় এলাকায় শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার সুদীপ্ত ঘোষের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী শব্দ দূষণের দায়ে দুটি যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় মোট ১,৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং তিনটি অবৈধ হর্ণ জব্দ করা হয়।
অভিযানে শরীয়তপুর জেলা পুলিশ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম অংশ নেয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ রাসেল নোমান প্রসিকিউশন প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, অতিরিক্ত শব্দ বিশেষ করে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারের কারণে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাই এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযান চলাকালে যানবাহনের চালকদের সতর্ক করা হয় এবং শব্দ দূষণের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুধু যানবাহনই নয়, জেলার বিভিন্ন দূষণকারী কারখানা ও প্রকল্পের বিরুদ্ধেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে পরিবেশ রক্ষায় তাদের এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন