জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সরকারি ফুয়েল কার্ডে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করে তেল উত্তোলনের চেষ্টার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় তাদের ব্যবহৃত একটি গাড়িও জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্তদের মোট ১৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তুহিন মৌসুমী ফিলিং স্টেশনে একটি প্রাইভেটকার নিয়ে এসে দুই যুবক সরকারি ফুয়েল কার্ড প্রদর্শন করে তেল নিতে চান। কার্ডটি দেখে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের সন্দেহ হলে তারা কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শুরু করেন। যাচাইয়ের এক পর্যায়ে কার্ডে ব্যবহৃত স্বাক্ষর ও অনুমোদন নিয়ে অসঙ্গতি ধরা পড়ে।
পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হলে কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রাথমিক তদন্তেই নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ফুয়েল কার্ডে ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এরপর অভিযুক্ত দুই যুবককে আটক করা হয় এবং তাদের ব্যবহৃত গাড়িটি জব্দ করা হয়।
ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের ১৪ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, সরকারি নথি, সিল-স্বাক্ষর কিংবা অনুমোদন জাল করা গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহারের শামিল। এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের তাৎক্ষণিক সতর্কতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণেই প্রতারণার চেষ্টা নস্যাৎ হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম রোধে সকলকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সরকারি ফুয়েল কার্ডে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করে তেল উত্তোলনের চেষ্টার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় তাদের ব্যবহৃত একটি গাড়িও জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্তদের মোট ১৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তুহিন মৌসুমী ফিলিং স্টেশনে একটি প্রাইভেটকার নিয়ে এসে দুই যুবক সরকারি ফুয়েল কার্ড প্রদর্শন করে তেল নিতে চান। কার্ডটি দেখে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের সন্দেহ হলে তারা কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শুরু করেন। যাচাইয়ের এক পর্যায়ে কার্ডে ব্যবহৃত স্বাক্ষর ও অনুমোদন নিয়ে অসঙ্গতি ধরা পড়ে।
পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হলে কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রাথমিক তদন্তেই নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ফুয়েল কার্ডে ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এরপর অভিযুক্ত দুই যুবককে আটক করা হয় এবং তাদের ব্যবহৃত গাড়িটি জব্দ করা হয়।
ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের ১৪ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, সরকারি নথি, সিল-স্বাক্ষর কিংবা অনুমোদন জাল করা গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহারের শামিল। এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের তাৎক্ষণিক সতর্কতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণেই প্রতারণার চেষ্টা নস্যাৎ হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম রোধে সকলকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন