পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবস-২০২৬ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে।
দিনের কর্মসূচির শুরুতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটির উদ্বোধন করেন। এরপর জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ শেখ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।
এছাড়াও সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা শব্দ দূষণের ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। তারা বলেন, অতিরিক্ত শব্দ মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি।
পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, বাস মালিক, যানবাহন চালক, মাইক ব্যবহারকারী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জানান, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী ‘নীরব জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা হবে। এসব এলাকায় প্রয়োজনীয় সাইনবোর্ড স্থাপনসহ নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
আলোচনা সভা শেষে সদর উপজেলার বাইপাস মোড়ে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তানজীর ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে ৬টি যানবাহনকে মোট ৩ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ৮টি হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়।
এ সময় চালকদের সতর্ক করা হয় এবং শব্দ দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট বিতরণ ও স্টিকার লাগানো হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবস-২০২৬ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে।
দিনের কর্মসূচির শুরুতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটির উদ্বোধন করেন। এরপর জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ শেখ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।
এছাড়াও সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা শব্দ দূষণের ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। তারা বলেন, অতিরিক্ত শব্দ মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি।
পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, বাস মালিক, যানবাহন চালক, মাইক ব্যবহারকারী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জানান, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী ‘নীরব জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা হবে। এসব এলাকায় প্রয়োজনীয় সাইনবোর্ড স্থাপনসহ নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
আলোচনা সভা শেষে সদর উপজেলার বাইপাস মোড়ে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তানজীর ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে ৬টি যানবাহনকে মোট ৩ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ৮টি হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়।
এ সময় চালকদের সতর্ক করা হয় এবং শব্দ দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট বিতরণ ও স্টিকার লাগানো হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন