চুয়াডাঙ্গায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে “গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন” শীর্ষক একটি সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) সকালে জেলা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আব্দুল হাকিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জেলা তথ্য অফিসার শিল্পী মন্ডল।
কর্মশালার প্রথম সেশনে “বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে প্রেস কাউন্সিল প্রণীত আচরণবিধি প্রতিপালনের গুরুত্ব” বিষয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপসচিব) মো. আব্দুস সবুর। দ্বিতীয় সেশনে “গণমাধ্যমকর্মীদের আইনগত অধিকার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় করণীয়” বিষয়ে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রধান অতিথি বিচারপতি এ. কে. এম. আব্দুল হাকিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের নিজেদের পেশাগত অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি এবং একই সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা, যেখানে সত্য, নৈতিকতা ও যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা সাংবাদিকদের মূল দায়িত্ব।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় এর বিকল্প নেই। সংবাদ মাধ্যম সমাজের দর্পণ এবং সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এমন কোনো সংবাদ পরিবেশন করা উচিত নয় যাতে বিভ্রান্তি বা বিতর্ক সৃষ্টি হয়, বরং সবসময় বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমানসহ বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের কর্মকর্তারা। কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমের মোট ৪২ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় সাংবাদিকদের জন্য The Press Council Act, 1974, অনুসরণীয় আচরণবিধি-১৯৯৩ (২০০২ সালে সংশোধিত), প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ দায়েরের নিয়ম, ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন ১৯৭৩, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫সহ বিভিন্ন আইন ও সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।
শেষে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণের মাধ্যমে কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে “গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন” শীর্ষক একটি সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) সকালে জেলা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আব্দুল হাকিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জেলা তথ্য অফিসার শিল্পী মন্ডল।
কর্মশালার প্রথম সেশনে “বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে প্রেস কাউন্সিল প্রণীত আচরণবিধি প্রতিপালনের গুরুত্ব” বিষয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপসচিব) মো. আব্দুস সবুর। দ্বিতীয় সেশনে “গণমাধ্যমকর্মীদের আইনগত অধিকার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় করণীয়” বিষয়ে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রধান অতিথি বিচারপতি এ. কে. এম. আব্দুল হাকিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের নিজেদের পেশাগত অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি এবং একই সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা, যেখানে সত্য, নৈতিকতা ও যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা সাংবাদিকদের মূল দায়িত্ব।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় এর বিকল্প নেই। সংবাদ মাধ্যম সমাজের দর্পণ এবং সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এমন কোনো সংবাদ পরিবেশন করা উচিত নয় যাতে বিভ্রান্তি বা বিতর্ক সৃষ্টি হয়, বরং সবসময় বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমানসহ বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের কর্মকর্তারা। কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমের মোট ৪২ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় সাংবাদিকদের জন্য The Press Council Act, 1974, অনুসরণীয় আচরণবিধি-১৯৯৩ (২০০২ সালে সংশোধিত), প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ দায়েরের নিয়ম, ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন ১৯৭৩, তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫সহ বিভিন্ন আইন ও সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।
শেষে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণের মাধ্যমে কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন