ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলা গ্রাম্য বিরোধের অবসান ঘটেছে এক সালিস বৈঠকের মাধ্যমে। উপজেলার চার গ্রামের মধ্যে চলমান সংঘর্ষ ও উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে এই মীমাংসা হয়, যা স্থানীয়ভাবে স্বস্তি ফিরিয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত সালিস বৈঠকে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুলের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোকন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংঘর্ষে জড়াবে না বলে অঙ্গীকার করে।
সালিস বৈঠকে শান্তি প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে সংঘর্ষে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র স্বেচ্ছায় জমা দেন গ্রামবাসীরা। এসব অস্ত্রের মধ্যে ছিল ঢাল, সড়কি, রামদা এবং চাইনিজ কুড়াল। পরে উপস্থিত জনতার সামনে অর্ধশতাধিক ঢাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যা বিরোধের অবসানের প্রতীকী দৃশ্য হিসেবে উপস্থিতদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দেয়।
বৈঠক শেষে সাবেক মেম্বার বাবর আলী ও সাধু গ্রুপের সদস্যরা সংসদ সদস্যের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধ মীমাংসার ঘোষণা দেন। এতে করে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমিত হয়ে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসার আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। এ সময় ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে এবং এক পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে এবং ইতোমধ্যে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা আশা করছেন, এই সমঝোতার মাধ্যমে এলাকায় স্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলা গ্রাম্য বিরোধের অবসান ঘটেছে এক সালিস বৈঠকের মাধ্যমে। উপজেলার চার গ্রামের মধ্যে চলমান সংঘর্ষ ও উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে এই মীমাংসা হয়, যা স্থানীয়ভাবে স্বস্তি ফিরিয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত সালিস বৈঠকে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুলের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোকন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংঘর্ষে জড়াবে না বলে অঙ্গীকার করে।
সালিস বৈঠকে শান্তি প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে সংঘর্ষে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র স্বেচ্ছায় জমা দেন গ্রামবাসীরা। এসব অস্ত্রের মধ্যে ছিল ঢাল, সড়কি, রামদা এবং চাইনিজ কুড়াল। পরে উপস্থিত জনতার সামনে অর্ধশতাধিক ঢাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যা বিরোধের অবসানের প্রতীকী দৃশ্য হিসেবে উপস্থিতদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দেয়।
বৈঠক শেষে সাবেক মেম্বার বাবর আলী ও সাধু গ্রুপের সদস্যরা সংসদ সদস্যের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধ মীমাংসার ঘোষণা দেন। এতে করে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমিত হয়ে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসার আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। এ সময় ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে এবং এক পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে এবং ইতোমধ্যে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা আশা করছেন, এই সমঝোতার মাধ্যমে এলাকায় স্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন