বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার রণবাঘ এলাকায় শহীদ জোহা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি নিজেকে ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে পেট্রোল পাম্পে আসে এবং জ্বালানি তেল সরবরাহ ও ডিস্ট্রিবিউশন সংক্রান্ত নির্দেশ দেওয়ার চেষ্টা করে। পাম্পের কর্মচারীরা তার আচরণ সন্দেহজনক মনে করলে তাকে আটক করেন। আচরণ ও কথাবার্তায় এমনটি স্পষ্ট হয় যে তিনি আসলে কোনো সরকারী কর্মকর্তা নন।
স্থানীয়দের সহযোগিতায় আটক ব্যক্তিকে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
থানা পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিকভাবে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ আশা প্রকাশ করেছে, তদন্ত শেষে ব্যক্তি যদি সত্যিই ভুয়া পরিচয় প্রদান ও প্রতারণার চেষ্টা করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুয়া কর্মকর্তারা মাঝে মাঝে প্রতারণার চেষ্টা করেন, যা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী উভয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং এমন ধরনের ঘটনা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানোর পরামর্শ দিয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে পাম্পের কর্মচারীরা জানান, ভুয়া পরিচয়ধারী ব্যক্তি কিছু নথি দেখানোর চেষ্টা করলেও তারা তা যাচাই না করে সতর্কভাবে তাকে আটক করেন।
স্থানীয়রা আশা করছেন, পুলিশ এমন ধরনের প্রতারণা রোধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেবে, যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদে ব্যবসা করতে পারেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার রণবাঘ এলাকায় শহীদ জোহা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি নিজেকে ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে পেট্রোল পাম্পে আসে এবং জ্বালানি তেল সরবরাহ ও ডিস্ট্রিবিউশন সংক্রান্ত নির্দেশ দেওয়ার চেষ্টা করে। পাম্পের কর্মচারীরা তার আচরণ সন্দেহজনক মনে করলে তাকে আটক করেন। আচরণ ও কথাবার্তায় এমনটি স্পষ্ট হয় যে তিনি আসলে কোনো সরকারী কর্মকর্তা নন।
স্থানীয়দের সহযোগিতায় আটক ব্যক্তিকে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
থানা পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিকভাবে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ আশা প্রকাশ করেছে, তদন্ত শেষে ব্যক্তি যদি সত্যিই ভুয়া পরিচয় প্রদান ও প্রতারণার চেষ্টা করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুয়া কর্মকর্তারা মাঝে মাঝে প্রতারণার চেষ্টা করেন, যা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী উভয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং এমন ধরনের ঘটনা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানোর পরামর্শ দিয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে পাম্পের কর্মচারীরা জানান, ভুয়া পরিচয়ধারী ব্যক্তি কিছু নথি দেখানোর চেষ্টা করলেও তারা তা যাচাই না করে সতর্কভাবে তাকে আটক করেন।
স্থানীয়রা আশা করছেন, পুলিশ এমন ধরনের প্রতারণা রোধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেবে, যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদে ব্যবসা করতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন