রাশিয়ান হাউস ঢাকার পরিচালক আলেকসান্দ্রা খলেভনয় বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম-এর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য বৈঠক করেছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে রাশিয়ান হাউসের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন আলেকসান্দ্রা খলেভনয়। তিনি জানান, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য রাশিয়ার বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ এবং স্কলারশিপ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি খাতে রাশিয়ার সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান আদান-প্রদান, শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করে।
এ বৈঠকের একটি বিশেষ দিক ছিল ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর প্রাঙ্গণে ইউরি গ্যাগারিন-এর একটি ভাস্কর্য স্থাপনের পরিকল্পনা। এটি মানবজাতির প্রথম মহাকাশ ভ্রমণের ৬৫তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হবে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ান দূতাবাসের প্রথম সচিব আনাস্তাসিয়া নেমোভা এবং প্রেস অ্যাটাশে সোফিয়া কুতেপোভা।
উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের নিয়মিত সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ক আগামী দিনে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক রূপ লাভ করবে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
রাশিয়ান হাউস ঢাকার পরিচালক আলেকসান্দ্রা খলেভনয় বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম-এর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য বৈঠক করেছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে রাশিয়ান হাউসের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন আলেকসান্দ্রা খলেভনয়। তিনি জানান, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য রাশিয়ার বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ এবং স্কলারশিপ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি খাতে রাশিয়ার সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান আদান-প্রদান, শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করে।
এ বৈঠকের একটি বিশেষ দিক ছিল ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর প্রাঙ্গণে ইউরি গ্যাগারিন-এর একটি ভাস্কর্য স্থাপনের পরিকল্পনা। এটি মানবজাতির প্রথম মহাকাশ ভ্রমণের ৬৫তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হবে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ান দূতাবাসের প্রথম সচিব আনাস্তাসিয়া নেমোভা এবং প্রেস অ্যাটাশে সোফিয়া কুতেপোভা।
উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের নিয়মিত সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ক আগামী দিনে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক রূপ লাভ করবে।

আপনার মতামত লিখুন