ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ এলাকায় ফুটবল খেলা নিয়ে মাইকিং এবং দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৪টা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় শুরু হওয়া উত্তেজনা শনিবার ভোরে গিয়ে রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে, যা টানা প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে চলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মনসুরাবাদ বাজার এলাকায় প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সামান্য সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। রাত পেরিয়ে শনিবার সকালেও নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, ফলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে একপক্ষে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অপরপক্ষে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের বাসিন্দারা অংশ নেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে উভয় পক্ষ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। হঠাৎ করেই চারদিক থেকে লোকজন এসে হামলা শুরু করলে সাধারণ মানুষ জীবন বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করে। চারদিকে আতঙ্ক, চিৎকার আর বিশৃঙ্খলায় পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকও রয়েছেন। আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সংঘর্ষের পেছনে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন স্থানীয়রা। জানা গেছে, শুক্রবার খাপুরা গ্রামের এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং তা বড় আকার ধারণ করে।
সংঘর্ষ চলাকালে মনসুরাবাদ বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেছে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং কেউ কেউ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ এলাকায় ফুটবল খেলা নিয়ে মাইকিং এবং দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৪টা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় শুরু হওয়া উত্তেজনা শনিবার ভোরে গিয়ে রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে, যা টানা প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে চলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মনসুরাবাদ বাজার এলাকায় প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সামান্য সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। রাত পেরিয়ে শনিবার সকালেও নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, ফলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে একপক্ষে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অপরপক্ষে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের বাসিন্দারা অংশ নেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে উভয় পক্ষ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। হঠাৎ করেই চারদিক থেকে লোকজন এসে হামলা শুরু করলে সাধারণ মানুষ জীবন বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করে। চারদিকে আতঙ্ক, চিৎকার আর বিশৃঙ্খলায় পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকও রয়েছেন। আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সংঘর্ষের পেছনে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন স্থানীয়রা। জানা গেছে, শুক্রবার খাপুরা গ্রামের এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং তা বড় আকার ধারণ করে।
সংঘর্ষ চলাকালে মনসুরাবাদ বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেছে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং কেউ কেউ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন