কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ১২ নম্বর নারায়ণপুর ইউনিয়নের অসহায় ও দরিদ্র বাসিন্দা তাজুলের পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পথশিশু ফাউন্ডেশন’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাজুলের মানবেতর জীবনযাপনের খবর ভাইরাল হওয়ার পর সাধারণ মানুষের নজরেও আসে তার অবস্থার কথা। পরে পথশিশু ফাউন্ডেশন এই বিষয়টি গ্রহণ করে তাজুলের জন্য ঘর নির্মাণ ও জীবিকা নির্বাহের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করে।
পথশিশু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ নয়ন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, “তাজুলের মত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মূল লক্ষ্য। ঘর নির্মাণের পাশাপাশি তাকে প্রাথমিক নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে যাতে তিনি নিজের জীবন-জীবিকা সহজভাবে চালিয়ে যেতে পারেন।”
এদিকে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার বদরুজ্জামান রিশাদ তাজুলকে স্থায়ী বসবাসের জন্য জমি এবং চাষাবাদের জন্য কৃষি জমি বরাদ্দ দিয়েছেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তাজুল নতুন করে জীবন শুরু করার সুযোগ পাচ্ছেন এবং তার পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ ও স্থায়ী আশ্রয় নিশ্চিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে মানবেতর জীবন যাপন করছিলেন তাজুল। মাথা গোঁজার স্থায়ী ঘরের অভাবে তিনি প্রতিদিন বিভিন্ন অসুবিধার মুখোমুখি হচ্ছেন। পথশিশু ফাউন্ডেশনের সহায়তায় তার হাতে স্থায়ী ঘর এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য জমি এসেছে, যা তার ও তার পরিবারের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।
অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার বদরুজ্জামান রিশাদ, পথশিশু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ নয়ন, কৃষি অফিসার শাহরিয়ার হোসেন, নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা এবং অন্যান্য স্থানীয় নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা সকলেই তাজুলের পাশে দাড়িয়ে তাকে নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন।
পথশিশু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ নয়ন এর আগে গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন এলাকায় অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য একাধিক ঘর নির্মাণ করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ কেবল তাজুলের জীবন পরিবর্তন করবে না, বরং সমাজের অন্যান্য মানুষকেও অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে।
উপস্থিতরা আরও বলেন, “তাজুলের জন্য ঘর ও জমি বরাদ্দ মানে শুধু একটি আশ্রয় নয়, এটি তার নতুন জীবন গড়ার সুযোগ। আশা করা যায়, তিনি এই সহায়তা কাজে লাগিয়ে নিজেকে ও পরিবারের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করতে সক্ষম হবেন।”
এ ঘটনায় স্থানীয়রা প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে তাজুলের মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদাহরণ সম্প্রসারণ পায়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ১২ নম্বর নারায়ণপুর ইউনিয়নের অসহায় ও দরিদ্র বাসিন্দা তাজুলের পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পথশিশু ফাউন্ডেশন’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাজুলের মানবেতর জীবনযাপনের খবর ভাইরাল হওয়ার পর সাধারণ মানুষের নজরেও আসে তার অবস্থার কথা। পরে পথশিশু ফাউন্ডেশন এই বিষয়টি গ্রহণ করে তাজুলের জন্য ঘর নির্মাণ ও জীবিকা নির্বাহের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করে।
পথশিশু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ নয়ন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, “তাজুলের মত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মূল লক্ষ্য। ঘর নির্মাণের পাশাপাশি তাকে প্রাথমিক নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে যাতে তিনি নিজের জীবন-জীবিকা সহজভাবে চালিয়ে যেতে পারেন।”
এদিকে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার বদরুজ্জামান রিশাদ তাজুলকে স্থায়ী বসবাসের জন্য জমি এবং চাষাবাদের জন্য কৃষি জমি বরাদ্দ দিয়েছেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তাজুল নতুন করে জীবন শুরু করার সুযোগ পাচ্ছেন এবং তার পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ ও স্থায়ী আশ্রয় নিশ্চিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে মানবেতর জীবন যাপন করছিলেন তাজুল। মাথা গোঁজার স্থায়ী ঘরের অভাবে তিনি প্রতিদিন বিভিন্ন অসুবিধার মুখোমুখি হচ্ছেন। পথশিশু ফাউন্ডেশনের সহায়তায় তার হাতে স্থায়ী ঘর এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য জমি এসেছে, যা তার ও তার পরিবারের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।
অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার বদরুজ্জামান রিশাদ, পথশিশু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ নয়ন, কৃষি অফিসার শাহরিয়ার হোসেন, নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা এবং অন্যান্য স্থানীয় নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা সকলেই তাজুলের পাশে দাড়িয়ে তাকে নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন।
পথশিশু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ নয়ন এর আগে গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন এলাকায় অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য একাধিক ঘর নির্মাণ করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ কেবল তাজুলের জীবন পরিবর্তন করবে না, বরং সমাজের অন্যান্য মানুষকেও অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে।
উপস্থিতরা আরও বলেন, “তাজুলের জন্য ঘর ও জমি বরাদ্দ মানে শুধু একটি আশ্রয় নয়, এটি তার নতুন জীবন গড়ার সুযোগ। আশা করা যায়, তিনি এই সহায়তা কাজে লাগিয়ে নিজেকে ও পরিবারের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করতে সক্ষম হবেন।”
এ ঘটনায় স্থানীয়রা প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে তাজুলের মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদাহরণ সম্প্রসারণ পায়।

আপনার মতামত লিখুন