ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের পালওয়াল জেলার টিকরি ব্রাহ্মণ গ্রামে রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফরত মুসল্লিদের মসজিদে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা মসজিদের জানালা ভেঙে ভেতরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। সেই সময় মসজিদের ইমাম জুবের এবং ইকবাল, হানিফ ও সোহেল নামে আরও তিনজন ইতিকাফে ছিলেন। ধোঁয়া ও তাপ অনুভব করে তারা জেগে ওঠেন এবং চিৎকার শুরু করেন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় গ্রামবাসীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটার আগেই আগুন নেভাতে সক্ষম হন।
এই ঘটনায় ইমাম জুবেরের অভিযোগের ভিত্তিতে রামরূপসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পালওয়ালের পুলিশ সুপার বরুণ সিংলা নিশ্চিত করেছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এতে স্পেশাল ক্রাইম ইউনিট ও সাইবার সেলকে যুক্ত করা হয়েছে। পুলিশের মুখপাত্র সঞ্জয় কুমার জানিয়েছেন, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ চলছে। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টাকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
এই ঘটনায় স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন, গত কয়েক বছর ধরেই এই গ্রামে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা চলছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা অজুহাতে মুসলিম নাগরিকদের হেনস্তা করার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।
এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জুমার নামাজে বাধা, রাস্তায় নামাজরত মুসল্লিদের মারধর, মসজিদ ভাঙচুর এবং গরুর মাংস বহনের সন্দেহে মুসলিম নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার মতো একাধিক ঘটনা ঘটেছে। সেই ধারাবাহিকতায় রমজানের পবিত্র মুহূর্তে এই মসজিদে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের পালওয়াল জেলার টিকরি ব্রাহ্মণ গ্রামে রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফরত মুসল্লিদের মসজিদে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা মসজিদের জানালা ভেঙে ভেতরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। সেই সময় মসজিদের ইমাম জুবের এবং ইকবাল, হানিফ ও সোহেল নামে আরও তিনজন ইতিকাফে ছিলেন। ধোঁয়া ও তাপ অনুভব করে তারা জেগে ওঠেন এবং চিৎকার শুরু করেন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় গ্রামবাসীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটার আগেই আগুন নেভাতে সক্ষম হন।
এই ঘটনায় ইমাম জুবেরের অভিযোগের ভিত্তিতে রামরূপসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পালওয়ালের পুলিশ সুপার বরুণ সিংলা নিশ্চিত করেছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এতে স্পেশাল ক্রাইম ইউনিট ও সাইবার সেলকে যুক্ত করা হয়েছে। পুলিশের মুখপাত্র সঞ্জয় কুমার জানিয়েছেন, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ চলছে। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টাকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
এই ঘটনায় স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন, গত কয়েক বছর ধরেই এই গ্রামে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা চলছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা অজুহাতে মুসলিম নাগরিকদের হেনস্তা করার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।
এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জুমার নামাজে বাধা, রাস্তায় নামাজরত মুসল্লিদের মারধর, মসজিদ ভাঙচুর এবং গরুর মাংস বহনের সন্দেহে মুসলিম নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার মতো একাধিক ঘটনা ঘটেছে। সেই ধারাবাহিকতায় রমজানের পবিত্র মুহূর্তে এই মসজিদে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন