ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান 'অপারেশন এপিক ফিউরি' চলাকালে বন্ধুত্বপূর্ণ আকাশসীমায় এই দুর্ঘটনা ঘটে এবং তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে।
সেন্টকমের বিবৃতিতে জানানো হয়, ওই মিশনে দুটি বিমান অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে একটি পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হয় এবং অপরটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শত্রুপক্ষের হামলা কিংবা ভুলবশত নিজেদের বাহিনীর গুলিতে (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) এই দুর্ঘটনা ঘটেনি।
কেসি-১৩৫ একটি বৃহদাকার জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান, যা শূন্যে উড়তে উড়তে যুদ্ধবিমানের জ্বালানি ট্যাংক পূর্ণ করে দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের বিমানে সাধারণত তিন থেকে চারজন ক্রু সদস্য থাকেন। তবে বিধ্বস্ত বিমানে থাকা আরোহীদের ভাগ্য সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। প্রাথমিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ঘটনাস্থলে বড় ধরনের বিস্ফোরণের তথ্য উঠে এসেছে। দুর্গম এলাকা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে উদ্ধার কাজ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সেন্টকম জানিয়েছে।
এই ঘটনার আগেই পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছিলেন, চলমান সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত সাতজন মার্কিন সেনা নিহত এবং ১৪০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আটজনের আঘাত গুরুতর। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ হামলার পর থেকে এটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কাগুলোর একটি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান 'অপারেশন এপিক ফিউরি' চলাকালে বন্ধুত্বপূর্ণ আকাশসীমায় এই দুর্ঘটনা ঘটে এবং তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে।
সেন্টকমের বিবৃতিতে জানানো হয়, ওই মিশনে দুটি বিমান অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে একটি পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হয় এবং অপরটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শত্রুপক্ষের হামলা কিংবা ভুলবশত নিজেদের বাহিনীর গুলিতে (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) এই দুর্ঘটনা ঘটেনি।
কেসি-১৩৫ একটি বৃহদাকার জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান, যা শূন্যে উড়তে উড়তে যুদ্ধবিমানের জ্বালানি ট্যাংক পূর্ণ করে দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের বিমানে সাধারণত তিন থেকে চারজন ক্রু সদস্য থাকেন। তবে বিধ্বস্ত বিমানে থাকা আরোহীদের ভাগ্য সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। প্রাথমিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ঘটনাস্থলে বড় ধরনের বিস্ফোরণের তথ্য উঠে এসেছে। দুর্গম এলাকা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে উদ্ধার কাজ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সেন্টকম জানিয়েছে।
এই ঘটনার আগেই পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছিলেন, চলমান সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত সাতজন মার্কিন সেনা নিহত এবং ১৪০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আটজনের আঘাত গুরুতর। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ হামলার পর থেকে এটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কাগুলোর একটি।

আপনার মতামত লিখুন