মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান যুদ্ধের উত্তাপ এবার সরাসরি স্পর্শ করল ফ্রান্সকে। ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের এরবিলে একটি ড্রোন হামলায় একজন ফরাসি সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই যুদ্ধে এটিই প্রথম ফরাসি সেনার মৃত্যুর ঘটনা।
ফরাসি সেনাবাহিনী আগেই জানিয়েছিল, হামলার সময় তাদের সেনারা ইরাকি অংশীদার বাহিনীর সঙ্গে যৌথ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছিলেন। এই অবস্থায় বাইরে থেকে আসা ড্রোন আঘাত হানলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ এই হামলাকে সরাসরি 'অগ্রহণযোগ্য' বলে আখ্যায়িত করেন।
উল্লেখ্য, ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের এরবিলে ফ্রান্সের কয়েকশ সেনাসদস্য মোতায়েন রয়েছেন। ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াইরত একটি আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসেবে তারা সেখানে অবস্থান করে ইরাকি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে আসছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকে ইরান আইআরজিসির মাধ্যমে ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে মার্কিন ও পশ্চিমা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এরবিলের এই হামলাটিও সেই বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই আরও ব্যাপক রূপ নিচ্ছে। ইরাকের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে এবং মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডেও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতির ক্রমাবনতিতে এই অঞ্চলে মোতায়েন পশ্চিমা বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তীব্র হয়ে উঠছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান যুদ্ধের উত্তাপ এবার সরাসরি স্পর্শ করল ফ্রান্সকে। ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের এরবিলে একটি ড্রোন হামলায় একজন ফরাসি সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই যুদ্ধে এটিই প্রথম ফরাসি সেনার মৃত্যুর ঘটনা।
ফরাসি সেনাবাহিনী আগেই জানিয়েছিল, হামলার সময় তাদের সেনারা ইরাকি অংশীদার বাহিনীর সঙ্গে যৌথ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছিলেন। এই অবস্থায় বাইরে থেকে আসা ড্রোন আঘাত হানলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ এই হামলাকে সরাসরি 'অগ্রহণযোগ্য' বলে আখ্যায়িত করেন।
উল্লেখ্য, ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের এরবিলে ফ্রান্সের কয়েকশ সেনাসদস্য মোতায়েন রয়েছেন। ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াইরত একটি আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসেবে তারা সেখানে অবস্থান করে ইরাকি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে আসছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকে ইরান আইআরজিসির মাধ্যমে ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে মার্কিন ও পশ্চিমা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এরবিলের এই হামলাটিও সেই বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই আরও ব্যাপক রূপ নিচ্ছে। ইরাকের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে এবং মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডেও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতির ক্রমাবনতিতে এই অঞ্চলে মোতায়েন পশ্চিমা বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তীব্র হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন