সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়নের ২ হাজার ৩২০ জন উপকারভোগীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. মেহেদী হাসান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্যাগ অফিসার সেলিম রেজা, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. রোজিন পলাশ, প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জাব্বার মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম জিন্নাহসহ ইউনিয়ন পরিষদের ৯টি ওয়ার্ডের সদস্য ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে উৎসবকে সামনে রেখে এসব সহায়তা দরিদ্র মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনে।
চাল বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
উপকারভোগীরা জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সরকারের দেওয়া খাদ্য সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য অনেক উপকারে এসেছে। এতে অন্তত কয়েকদিনের খাদ্যসংস্থান নিশ্চিত হওয়ায় তারা স্বস্তি পাচ্ছেন বলে জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়নের ২ হাজার ৩২০ জন উপকারভোগীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. মেহেদী হাসান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্যাগ অফিসার সেলিম রেজা, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. রোজিন পলাশ, প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জাব্বার মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম জিন্নাহসহ ইউনিয়ন পরিষদের ৯টি ওয়ার্ডের সদস্য ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে উৎসবকে সামনে রেখে এসব সহায়তা দরিদ্র মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনে।
চাল বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
উপকারভোগীরা জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সরকারের দেওয়া খাদ্য সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য অনেক উপকারে এসেছে। এতে অন্তত কয়েকদিনের খাদ্যসংস্থান নিশ্চিত হওয়ায় তারা স্বস্তি পাচ্ছেন বলে জানান।

আপনার মতামত লিখুন