ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে ভারত। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাসের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, মূলত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এলপিজি ব্যবহারকারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে এই উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেস্তোরাঁ, হোটেল ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে এলপিজি যথাযথভাবে বণ্টন হচ্ছে কি না তা তদারকি করতে তিন সদস্যের একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হবে।
ভারতের এলপিজি সংকটের মূল কারণ দেশটির আমদানিনির্ভরতায়। জাতীয় পর্যায়ে মোট চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করতে হয় ভারতকে। এই আমদানির ৯০ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম অপারেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে এক ডজনেরও বেশি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এই বিপুল আমদানিনির্ভরতা এবং সরবরাহ পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় ভারতজুড়ে রান্নার গ্যাসের সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। বিশেষত রেস্তোরাঁ ও হোটেল ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। উৎপাদন বৃদ্ধির এই জরুরি সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি কতটা সামলাতে পারবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। কারণ অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার সীমাবদ্ধতায় চাহিদার পুরোটা পূরণ করা সম্ভব নয় বলে তারা মনে করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে ভারত। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাসের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, মূলত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এলপিজি ব্যবহারকারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে এই উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেস্তোরাঁ, হোটেল ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে এলপিজি যথাযথভাবে বণ্টন হচ্ছে কি না তা তদারকি করতে তিন সদস্যের একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হবে।
ভারতের এলপিজি সংকটের মূল কারণ দেশটির আমদানিনির্ভরতায়। জাতীয় পর্যায়ে মোট চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করতে হয় ভারতকে। এই আমদানির ৯০ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম অপারেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে এক ডজনেরও বেশি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এই বিপুল আমদানিনির্ভরতা এবং সরবরাহ পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় ভারতজুড়ে রান্নার গ্যাসের সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। বিশেষত রেস্তোরাঁ ও হোটেল ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। উৎপাদন বৃদ্ধির এই জরুরি সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি কতটা সামলাতে পারবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। কারণ অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার সীমাবদ্ধতায় চাহিদার পুরোটা পূরণ করা সম্ভব নয় বলে তারা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন