ইরান ও পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা আফগান শরণার্থীদের পুনর্বাসনে সহায়তার জন্য ২০ লাখ মার্কিন ডলার বরাদ্দ করেছে জাপান। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশন ইউএনএইচসিআর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং জাপান সরকারের এই উদার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছে।
ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, জাপানের এই অর্থসহায়তায় মোট ১ লাখ ১৬ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। বরাদ্দকৃত অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সরাসরি নগদ আকারে বিতরণ করা হবে। প্রায় ২৩ হাজার শরণার্থী এই নগদ সহায়তা পাবেন, যা দিয়ে তারা খাদ্য, বাসস্থান এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবেন। নগদ অর্থ বিতরণের এই পদ্ধতি শরণার্থীদের নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ দেয় বলে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এটিকে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করে।
গত দুই বছরে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আফগানিস্তানে ফিরে আসা শরণার্থীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই ২৮ লাখের বেশি আফগান নাগরিক ইরান ও পাকিস্তান থেকে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। দীর্ঘ বছর ধরে বিদেশে থাকার পর এত বিপুলসংখ্যক মানুষের একসঙ্গে ফিরে আসায় আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো ও সামাজিক সেবার ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়েছে। ফিরে আসা এই মানুষদের অধিকাংশই কর্মসংস্থান, আশ্রয় ও খাদ্য নিরাপত্তার তীব্র সংকটে পড়েছেন।
এই বাস্তবতায় জাপানের সহায়তাকে সময়োচিত ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। জাপান দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানের মানবিক সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে। এই নতুন বরাদ্দ দেশটির সেই অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
ইরান ও পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা আফগান শরণার্থীদের পুনর্বাসনে সহায়তার জন্য ২০ লাখ মার্কিন ডলার বরাদ্দ করেছে জাপান। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশন ইউএনএইচসিআর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং জাপান সরকারের এই উদার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছে।
ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, জাপানের এই অর্থসহায়তায় মোট ১ লাখ ১৬ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। বরাদ্দকৃত অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সরাসরি নগদ আকারে বিতরণ করা হবে। প্রায় ২৩ হাজার শরণার্থী এই নগদ সহায়তা পাবেন, যা দিয়ে তারা খাদ্য, বাসস্থান এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবেন। নগদ অর্থ বিতরণের এই পদ্ধতি শরণার্থীদের নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ দেয় বলে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এটিকে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করে।
গত দুই বছরে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আফগানিস্তানে ফিরে আসা শরণার্থীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই ২৮ লাখের বেশি আফগান নাগরিক ইরান ও পাকিস্তান থেকে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। দীর্ঘ বছর ধরে বিদেশে থাকার পর এত বিপুলসংখ্যক মানুষের একসঙ্গে ফিরে আসায় আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো ও সামাজিক সেবার ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়েছে। ফিরে আসা এই মানুষদের অধিকাংশই কর্মসংস্থান, আশ্রয় ও খাদ্য নিরাপত্তার তীব্র সংকটে পড়েছেন।
এই বাস্তবতায় জাপানের সহায়তাকে সময়োচিত ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। জাপান দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানের মানবিক সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে। এই নতুন বরাদ্দ দেশটির সেই অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন।

আপনার মতামত লিখুন