ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৪০ জন মার্কিন সামরিক সদস্য আহত হয়েছেন বলে স্বীকার করেছে পেন্টাগন। একই সঙ্গে যুদ্ধের শুরুতে ইরানি হামলায় সাতজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার তথ্যও নিশ্চিত করা হয়েছে। সোমবার পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল এই তথ্য জানান।
পারনেল জানান, আহতদের অধিকাংশই ছোটখাটো আঘাত পেয়েছেন এবং ১০৮ জন সেনা ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে দায়িত্বে ফিরে গেছেন। তবে ৮ জন এখনও গুরুতর আহতের তালিকায় রয়েছেন এবং তারা সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। নিহত সাতজনের মধ্যে ছয়জন কুয়েতে এবং একজন সৌদি আরবে ইরানি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের যৌথ বিমান হামলা শুরু করে। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঢেউ চালিয়ে যাচ্ছে। কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন সেনা হতাহতের ঘটনা সেই পাল্টা হামলারই পরিণতি।
পেন্টাগনের প্রধান পিট হেগসেথ মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার তীব্রতা আরও বাড়ানো হচ্ছে। তবে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে ইরানের পক্ষ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিমাণ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে একইদিন তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে বড় বিস্ফোরণের খবর এবং ইরানের হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপনের অভিযোগ পরিস্থিতিকে এখনো চরম অনিশ্চিত রেখেছে। যুদ্ধ শুরুর দশ দিনের বেশি পার হলেও উভয় পক্ষের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৪০ জন মার্কিন সামরিক সদস্য আহত হয়েছেন বলে স্বীকার করেছে পেন্টাগন। একই সঙ্গে যুদ্ধের শুরুতে ইরানি হামলায় সাতজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার তথ্যও নিশ্চিত করা হয়েছে। সোমবার পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল এই তথ্য জানান।
পারনেল জানান, আহতদের অধিকাংশই ছোটখাটো আঘাত পেয়েছেন এবং ১০৮ জন সেনা ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে দায়িত্বে ফিরে গেছেন। তবে ৮ জন এখনও গুরুতর আহতের তালিকায় রয়েছেন এবং তারা সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। নিহত সাতজনের মধ্যে ছয়জন কুয়েতে এবং একজন সৌদি আরবে ইরানি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের যৌথ বিমান হামলা শুরু করে। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঢেউ চালিয়ে যাচ্ছে। কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন সেনা হতাহতের ঘটনা সেই পাল্টা হামলারই পরিণতি।
পেন্টাগনের প্রধান পিট হেগসেথ মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলার তীব্রতা আরও বাড়ানো হচ্ছে। তবে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে ইরানের পক্ষ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিমাণ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে একইদিন তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে বড় বিস্ফোরণের খবর এবং ইরানের হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপনের অভিযোগ পরিস্থিতিকে এখনো চরম অনিশ্চিত রেখেছে। যুদ্ধ শুরুর দশ দিনের বেশি পার হলেও উভয় পক্ষের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়।

আপনার মতামত লিখুন