ফরিদপুরের কোতয়ালী থানাধীন গোয়ালচামট এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত জুয়েল (৪৫) হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। র্যাব-১০ ও র্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন মোঃ শাহনেওয়াজ (২৩), মোঃ সিফাত শেখ (১৯) ও মোঃ কামাল শেখ (৪৫), যারা সবাই ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানার গোয়ালচামট এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জুয়েলের বাড়ির পাশের সড়কে কাপড় শুকানোকে কেন্দ্র করে তার সঙ্গে প্রতিবেশী মনি বেগমের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সকাল প্রায় ৮টার দিকে শাহনেওয়াজসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জুয়েলের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে এবং তার ভাই সোহেলকে মারধর করে গুরুতর আহত করে।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জুয়েলকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সোহেল হাসপাতালে ভর্তি হন।
ঘটনার পর জুয়েলের ভাই মামলা দায়ের করেন। ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় দায়ের হওয়া মামলার নম্বর ৫৯, তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩০২/৫০৬(২)/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
ঘটনার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেলে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুরের কোতয়ালী থানাধীন গোয়ালচামট এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত জুয়েল (৪৫) হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। র্যাব-১০ ও র্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন মোঃ শাহনেওয়াজ (২৩), মোঃ সিফাত শেখ (১৯) ও মোঃ কামাল শেখ (৪৫), যারা সবাই ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানার গোয়ালচামট এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জুয়েলের বাড়ির পাশের সড়কে কাপড় শুকানোকে কেন্দ্র করে তার সঙ্গে প্রতিবেশী মনি বেগমের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সকাল প্রায় ৮টার দিকে শাহনেওয়াজসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জুয়েলের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে এবং তার ভাই সোহেলকে মারধর করে গুরুতর আহত করে।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জুয়েলকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সোহেল হাসপাতালে ভর্তি হন।
ঘটনার পর জুয়েলের ভাই মামলা দায়ের করেন। ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় দায়ের হওয়া মামলার নম্বর ৫৯, তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩০২/৫০৬(২)/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
ঘটনার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেলে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন